মালদার বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্য সরকার ও প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুললেন দিলীপ ঘোষ

389

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: মালদার সুজাপুরে প্লাস্টিক কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে বৃহস্পতিবার পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় এদিন রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

পুলিশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার মামলার জামিন নিতে এদিন বর্ধমান আদালতে হাজির হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। জামিন মেলার পর বর্ধমানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন দিলীপবাবু। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাজ্যের বর্তমান সরকার যবে থেকে ক্ষমতায় এসেছে তবে থেকে জেলায় জেলায় বোমা বিস্ফোরণ হচ্ছে। রাজ্যে বোম ও বন্দুকের কারখানা পাওয়া যাচ্ছে। বাইরে থেকে এই রাজ্যে বিস্ফোরক আসছে, উগ্রপন্থি আসছে। মুর্শিদাবাদের একাধীক জায়গা থেকে উগ্রপন্থি ধরাও পড়েছে।’ তাদের সঙ্গে সিমি, জামাত ও আলকায়দার যোগ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করেন দিলীপবাবু। একইসঙ্গে তিনি জানান, শুধুমাত্র মালদা নয়। বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম সহ রাজ্যে এমন কোনও জেলা নেই যেখানে বিস্ফোরণ হয়নি।

- Advertisement -

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে দিলীপবাবু বলেন, ‘এই রাজ্যের সরকারের প্রশাসনের ওপর কোনও কন্ট্রোল নেই। এরা শুধুমাত্র বিজেপিকে ঠেকাতে ব্যস্ত। সে কারণেই দেশদ্রোহীরা ভারতে ঢুকে যাচ্ছে। বাংলা এখন রোহিঙ্গা সহ অন্য অনুপ্রবেশকারীদের গড় হয়ে গিয়েছে। এখান থেকে ঢুকে সারা ভারতে তারা উৎপাত করছে। সব জেনেও ভোট ব্যাংকের জন্য রাজ্য সরকার কাউকে কিছু বলছে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার , পুলিশ ও সিআইডি চায়না সত্য সামনে আসুক। তারাই সব বিষয়কে কঠিন করে দিচ্ছে।’ দিলীপবাবুর বক্তব্য, এসবের জন্যই এইসব ঘটনা সহ বিভিন্ন বিষয়ে এনআইএ, সিবিআই ও ইডি হস্তক্ষেপ করছে। কারণ কেন্দ্রীয় এজেন্সি ছাড়া এই রাজ্যের কোনও ঘটনার সত্য সামনে আসবে না। তাই কেন্দ্রীয় এজেন্সি ওইসব ঘটনার যারা মাথা তাদের ধরতে আরম্ভ করেছে। কথায় আছে কান টানলে মাথা আসে। এবার অন্য মাথারাও ধরা পড়বে।