বালুরঘাট, ২৬ জানুয়ারি: দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমের অংশ নিতে এসে বালুরঘাটের বর্ষিয়ান আরএসপির রাজ্য সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরী বাড়িতে গেলেন দিলীপ ঘোষ। এছাড়া শহরের চিকিৎসক, গায়ক আইনজীবী ইত্যাদি গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গ ও কথা বলেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। যদিও কারো সঙ্গেই রাজনৈতিক আলোচনা করেননি দিলীপবাবু।
দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে শনিবার রাতেই বালুরঘাটে এসেছেন দিলীপ ঘোষ। এরপর আজ সকালে চকভৃগু পর্যন্ত প্রাতঃভ্রমণ করেন। সেখান থেকে বালুরঘাট থানা মোরে চায়ে পে চর্চা সেরে জনসংযোগ বাড়াতে বালুরঘাট কলেজপাড়া এলাকার চিকিৎসক রামেন্দু ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন। সেখান থেকে বালুরঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকার বিশিষ্ট আইনজীবী শেখর দাশগুপ্তের সঙ্গে দেখা করে চলে যান উত্তমাশা এলাকায়। সেখানে বালুরঘাট জেলা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিদ্যুৎ রায়ের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর সোজা চলে আসেন বালুরঘাটের বিধায়ক তথা আরএসপি রাজ্য সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরীর বাড়িতে। বিশ্বনাথবাবুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ওনার শারীরিক অবস্থা কেমন আছে তার খোঁজখবর নেন। এরপর বালুরঘাটের বিশিষ্ট চিকিৎসক দেবব্রত ঘোষের চেম্বারে যান এবং চিকিৎসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। জনসংযোগ পর্ব শেষ হতেই বালুরঘাট কল্যাণী ঘাট এলাকায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ে এসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন দিলীপ ঘোষ।
এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, সিএএ-র সমর্থনে জনসম্পর্ক বাড়াতে ডোর টু ডোর ক্যাম্পেইন চলছে। আজ বালুঘাট এসেছেন তাই বালুরঘাটের যেসব বিশিষ্টজন রয়েছেন তাদের সঙ্গে দেখা করেন।  অন্যদিকে বালুরঘাটের বিধায়ক তথা আরএসপির রাজ্য সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরী জানান, দিলীপ ঘোষ কোন রাজনৈতিক আলাচনা করতে আসেননি। একসময় বিধানসভায় দেখা হত। তবে দীর্ঘদিন আর তাদের দেখা হয়নি। উত্তরবঙ্গে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন দিলীপবাবু। তাই আজ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর শরীরের খোঁজখবর নেন। বালুরঘাট সংস্কৃতির শহর তাই এখানে একে অপরের খোঁজ নিতে আসে। আর এতে রাজনীতি কোন ব্যাপার নেই।