শিলবাড়িহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডিসইনফেকশন ডোর টানেল

383

সুভাষ বর্মন, পলাশবাড়ি: আলিপুরদুয়ার জেলায় এই প্রথম কোনও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে বসানো হল ডিসইনফেকশন ডোর টানেল। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের পলাশবাড়ির শিলবাড়িহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওই টানেলের উদ্বোধন করেন বিএমওএইচ ডাঃভাস্কর সেন। উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান প্রসেঞ্জিৎ দত্ত, মেডিকেল অফিসার ডাঃ ঋত্বিক দাস। এছাড়াও একটি ফুড প্যাডেল হ্যান্ড স্যানিটাইজারও উদ্বোধন করা হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এই পরিকাঠামো দেখে খুশি রোগী ও পরিজনরা।

জেলা তথা রাজ্যের মধ্যে পরিকাঠামোগত ভাবে বিশেষ স্থানে রয়েছে শিলবাড়িহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। কায়াকল্প প্রকল্পে পরপর তিনবার এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করে। করোনা পরিস্থিতিতেও এখানে রোজ রোগীদের ভিড় লেগেই রয়েছে। বহির্বিভাগের পাশাপাশি অন্তর্বিভাগও চালু রয়েছে। আবার পূর্ব কাঁঠালবাড়ি ও শালকুমারহাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের এই স্থাস্থ্যকেন্দ্রেই প্রথমে থার্মাল স্ক্রিনিং ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এজন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে স্বাস্থ্যকেন্দ্র চত্বর। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এই পরিস্থিতির কথা জেনেই আলিপুরদুয়ার শহরের জনৈক সমাজকর্মী তাঁর প্রয়াত বাবা শেখরনাথ কর-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে ডিসইনফেকশন ডোর টানেল দান করেন। এই টানেলের বেশ কিছু ফুটো দিয়ে স্যানিটাইজার বের হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনেই টানেলটি বসানো হয়। যাঁরাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসবেন তাঁদেরকে এই টানেল হয়ে ভেতরে ঢুকতে হবে। রোগী ও পরিজনদের পুরো শরীর স্যানিটাইজড হয়ে যাবে। আবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে বসানো হয় ফুড প্যাডেল হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এটি দান করেছেন পলাশবাড়ির ব্যবসায়ী দিবাকর দত্ত।

- Advertisement -

স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ঋত্বিক দাস বলেন, ‘এই দুটি জিনিস যাঁরা দান করেছেন তাঁদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’ রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান প্রসেণজিত দত্ত বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে স্যানিটাইজ করার টানেল ও ফুড প্যাডেল হ্যান্ড স্যানিটাইজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোজ প্রচুর রোগী ও পরিযায়ী শ্রমিকরা আসছেন। এবার তাঁদের জন্য সুবিধে হল।’ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসা রোগী ও পরিজনরাও এই পরিকাঠামো দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আলিপুরদুয়ার-১-এর বিএমওএইচ ডাঃ ভাস্কর সেন বলেন, ‘এটা খুবই ভালো হল। এখন থেকে প্রত্যেকেই স্যানিটাইজড হয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করবেন।’