তৃতীয় ঢেউ রুখতে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনে জোর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন

143

আলিপুরদুয়ার: তৃতীয় ঢেউ রুখতে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনে জোর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার জেলার তালিকায় প্রতি ব্লক থেকেই বেশ কিছু এলাকা এই মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনে আনা হয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেকটাই কমেছে। শিথিল হচ্ছে জনজীবন। তবে তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় সচেতন হচ্ছে জেলা প্রশাসন। তাই জেলার ছয়টি ব্লকে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন তৈরিতে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্তাদের কথায়, মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনে স্বল্প জায়গাজুড়ে বিধিনিষেধ থাকছে। কোনও ব্যক্তি বা কয়েকটি পরিবার আক্রান্ত হলে তাঁদের নিয়মিত খোজ নিচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্মীরা। ১৭ দিন করে এই কনটেনমেন্ট জোনে থাকছে। ওই সময়ের মধ্যে ওই এলাকায় নতুন করে করোনা সংক্রমণ না হলে, কনটেনমেন্ট জোন তুলে দেওয়া হচ্ছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ড: গিরিশচন্দ্র বেরা জানান, মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণকে ছোট জায়গায় আটকে রেখে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যে জায়গাগুলিতে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ছে সেখানে এটা করা হচ্ছে। জেলায় করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী। কোনওভাবে যাতে আবার এই গ্রাফ না বাড়ে সেইজন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

- Advertisement -

স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত রয়েছেন ২৮০ জন। যার মধ্যে হোম আইসলশনে রয়েছেন ১৯৫ জন, সেফ হোমে ৪৮ জন, জেলা হাসপাতালে ৪ জন এবং তপশিখাতা হাসপাতালে ৩৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় আগে থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রশাসন। আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকে শালকুমার ১ এবং ২, বঞ্চুকামারি, তপশিখাতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা মিলে প্রায় ১৫ টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে। পুরসভা এলাকায় নতুন করে ১০ টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা হয়েছে। কুমারগ্রাম ব্লকে ২৯টি নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা হয়েছে। ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি-১ এবং ২, খোয়ারডাঙা-২, কুমারগ্রাম, ভল্কা-১ এবং নিউলন্ডস কুমরাগ্রাম সংকোষ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই জোন রয়েছে। ফালাকাটা ব্লকে ২০টি নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা হয়েছে। মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লকের রাঙ্গলিবাজনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করা হয়েছে। কালচিনি ব্লকেও নতুন ৫টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন করা হয়েছে।