হাসপাতলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর নেশাগ্রস্থ যুবক চড়াও হওয়ার ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা

138

ফাঁসিদেওয়া, ৬ সেপ্টেম্বরঃ চিকিৎসা করাতে আসা যুবকের বিরুদ্ধে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনায় চিকিৎসকের নাক ফেঁটে রক্ত বেরিয়ে আসে বলে অভিযোগ। রবিবার গভীর রাতে ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ঘটনাকে ঘিরে ব্যপক উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফাঁসিদেওয়ার ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অরুণাভ দাস বলেন, কী ধরণের নেশা করেছিল তা জানতে পরীক্ষার জন্য অভিযুক্ত যুবককে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আমাদের চিকিৎসক জখম হওয়ার পরও, অভিযুক্তের চিকিৎসার কোনও ত্রুটি রাখেননি।

হাসপাতাল সূত্রের খবর, ঘোষপুকুর হাড়িভিটার এক যুবক এক জাতীয় নেশার সামগ্রী সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা, ওই যুবক বিষ খেয়েছে মনে করেন। তাকে রবিবার রাতেই ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত যুবক হাত-পা ছুঁড়তে থাকে। কর্তব্যরত চিকিৎসক হেমন্ত সাহির নাকে চোট লাগে। নাক দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। চিকিৎসা করতে গেলে, যুবক তাঁকে মারতে উদ্যোত হয় বলে অভিযোগ। এমনভাবে চিকিৎসকের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনায় হাসপাতাল চত্ত্বরে নিমেষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সবমহলে বিষয়টি নিয়ে নিন্দা শুরু হয়েছে।

- Advertisement -

চিকিৎসক হেমন্ত শাহী বলেন, ওই যুবককে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। খুব সম্ভবত গাঁজা সেবনের কারণে তাঁর এই অবস্থা হয়েছিল। তবে, চিকিৎসকরা রোগীর সেবার জন্য কাজ করছেন। আর এভাবে নেশা করে মারতে এলে, কীভাবে কাজ করব? বিষয়টি নিয়ে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। সমস্ত বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও ফাঁসিদেওয়া থানা ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি জানান। অন্যদিকে, অভিযুক্ত যুবকের বাবা বলেন, আমার ছেলে চিকিৎসককে মারতে যায়নি। ছেলের হাত চিকিৎসকের নাকে লেগে যায়। তিনি জখম হন। আমাদের উপস্থিতিতে চিকিৎসকের গায়ে হাত দেওয়া হয়নি। চিকিৎসকে আমরা কেন মারব?