মালদায় চিকিৎসককে মারধর, স্ত্রীকে নিগ্রহ, দর্শক পুলিশ

131

মালদা: ট্রাফিক পুলিশের সামনেই চিকিৎসককে মারধর, তাঁর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মালদায়। এতে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। অভিযোগ, ওই পুলিশ কর্মী নিজের কর্তব্য পালন না করে মোবাইলে ঘটনার ভিডিও করছিলেন। এমন অভিযোগ ওঠায় জেলা পুলিশের তরফে তাঁকে ক্লোজ করা হয়েছে। ওই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে স্ত্রীকে নিয়ে মালদা শহরে আসছিলেন চিকিৎসক ওয়াসিমুল হক ও তাঁর স্ত্রী শেফালি খাতুন। বাড়ি মালদার পুখুরিয়া থানার পিরগঞ্জে। মালদা শহরে রাজহোটেল মোড়ে ট্রাফিক পোস্টের সামনে একটি বাইকের সঙ্গে চিকিৎসকের গাড়ির ধাক্কা লাগে। তারপরই মারমুখী হয়ে ওঠেন বাইক চালক। তাঁরা চিকিৎসক ও তাঁর চালককে মারধর করেন। এমনকি তাঁর স্ত্রীর শ্লীলতাহানিও করেন বলে অভিযোগ। চিকিৎসকের দাবি, সেসময় নিজের কর্তব্য না পালন করে মোবাইলে ভিডিও করছিলেন কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মী। ঘটনায় ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত চিকিৎসক। তবে পুলিশ এখনও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেনি। যদিও পুলিশের দাবি, দোষীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

- Advertisement -

চিকিৎসক মহম্মদ ওসামুল হক বলেন, ‘শুক্রবার রাতে স্ত্রীকে নিয়ে মালদা শহরে যাচ্ছিলাম। সেসময় রাজ হোটেল মোড়ে একটি বাইকের সঙ্গে আমাদের গাড়ির ধাক্কা লাগে। বাইক আরোহী আরও কয়েকজনকে ডেকে এনে আমাদের মারধর করে। স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করে। আমরা থানায় অভিযোগ জানানোর পরও পুলিশ এখনও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।‘

পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, ঘটনায় ইতিমধ্যেই এক কর্মীকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে। দোষ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর দোষীদেরও চিহ্নিত করা হচ্ছে। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।