সুস্থ থাকতে নিয়মিত গ্রিন টি খান

199

গ্রিন টির মতো উপকারী স্বাস্থ্যকর পানীয় দ্বিতীয়টি বোধহয় নেই। এর উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। ওজন কমাতে, ত্বক ভালো রাখতে, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে গ্রিন টির জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া গ্রিন টি-তে ক্যাটেচিন নামে একটি উপাদান আছে, যা ভিটামিন ই এবং সির থেকেও বেশি শক্তিশালী। এটা শরীরের একাধিক উপকার করে। সুতরাং, যেসব কারণে প্রতিদিন গ্রিন টি খেতে পারেন :

ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে : গ্রিন টি-তে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া অন্যান্য দুরারোগের সমাধানে গ্রিন টি কার্যকরী।

- Advertisement -

মস্তিষ্কের সুরক্ষায় : গ্রিন টি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে, মস্তিষ্ককে নিউরোডিজেনারেটিভ বিভিন্ন রোগ যেমন- অ্যালজাইমার্স, পার্কিনসনস এবং ডিমেনশিয়ার সূত্রপাত থেকে রক্ষা করে।

ওজন কমাতে : ওজন কমাতে গ্রিন টি বেশ কার্যকরী। এটা শরীরে উপকারী ফ্যাটকে কার্যকর রেখে বাকি ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে,  গ্রিন টি একদিনে ৭০ ক্যালোরি পর্যন্ত ফ্যাট বার্ন করতে পারে। অতএব ওজন কমাতে নিয়মিত গ্রিন টি খান। তবে ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে গ্রিন টি খাওয়ার পাশাপাশি ব্যায়ামও করতে হবে।

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে : গ্রিন টি রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করে। যাঁদের ডায়াবিটিস আছে তাঁরা প্রতিদিন গ্রিন টি খেয়ে দেখতে পারেন।

ত্বকের সুরক্ষায় এবং ইমিউনিটি বাড়াতে : গ্রিন টি-তে পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েসের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে। ভাইরাল ফিভার, সর্দিকাশি প্রতিরোধে গ্রিন টি খান। এছাড়া ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে চাইলে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করে দিন।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে গ্রিন টি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গ্রিন টি শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। এছাড়া ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

অবসাদ কমাতে : গ্রিন টি-তে থিয়ানিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে, যা অবসাদ কমাতে সাহায্য করে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে : গ্রিন টি-তে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় তা মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া দাঁত ভালো রাখতেও গ্রিন টি খেতে পারেন।