জলসংকটে জেরবার চামুর্চি, ট্যাংক দিয়ে জল সরবরাহ করা হচ্ছে এলাকায়

131

কৌশিক শীল, চামুর্চি : প্রায় দেড় মাস ধরে জলসংকটে জেরবার বানারহাট থানার চামুর্চি বাজার এলাকা। জলস্তর নেমে যাওয়ায় পাম্প দিয়ে রিজার্ভারে পর্যাপ্ত জল উঠছে না। তাই কলে জল সরবরাহ প্রায় বন্ধ। পরিস্থিতি সামলাতে চারটি ট্যাংকে জল ভরে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই ট্যাংক থেকে জল সংগ্রহের জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি লেগে যাচ্ছে। চামুর্চি এলাকায় একজন করোনা সংক্রামিতের হদিস পাওয়ার পর এমনিতেই মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জল সংগ্রহের জন্য রোজ ভিড় হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা।

চামুর্চি এলাকায় জলের সমস্যা নতুন নয়। এখানকার বাসিন্দাদের বছরে বেশ কয়েক মাস তীব্র জলকষ্ট সহ্য করতে হয়। বছর কয়েক আগে চুনাভাটি চা বাগান এলাকায় একটি পাম্প বসানো হয়। সেই পাম্প থেকে রিজার্ভারে জল তুলে তা এলাকায় সরবরাহ করা হত। এতে সমস্যা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন ধরে ভূগর্ভস্থ জলস্তর নীচে নেমে যাওয়ায় রিজার্ভারে জল উঠছে না। এই অবস্থায় পিএইচইর তরফে এবং স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কয়েকটি জলের ট্যাংকের ব্যবস্থা করা হয়। চামুর্চি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান চন্দনা রায় বলেন, চারটি ট্যাংক দিয়ে জলের চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা চলছে। দিনে মোট চারবার ট্যাংকগুলি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে জল সরবরাহ করছে। জল সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেকেই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না এমন অভিযোগ উঠে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষ এবং পিএইচইর আধিকারিকদের সঙ্গে আমরা কথা বলে দেখছি। পারভিন সুলতানা নামে এক বাসিন্দা বলেন, ট্যাংক দিয়ে জলের চাহিদা কোনওরকমে মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আমরা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাইছি।

- Advertisement -

চামুর্চির বাসিন্দা তথা পশ্চিমবঙ্গ তরাই-ডুয়ার্স-শিলিগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (গোর্খা কমিউনিটি)-র সহ সভাপতি সন্দীপ ছেত্রী বলেন, এখানকার জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। নতুন করে একটি পাম্প বসানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। গত ডিসেম্বর মাসেই জেলা শাসককে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছিলাম। মাস দেড়েক আগে জলসংকট চরম আকার ধারণ করার পর ফের জেলা শাসক সহ বিডিও এবং পিএইচইর আধিকারিকদের লিখিতভাবে জানাই। আশা করছি দ্রুত কোনও পদক্ষেপ করা হবে। গত ৬ জুন ধূপগুড়ি বিডিও অফিসে জেলা শাসক অভিষেক তিওয়ারি জলের সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। জেলা শাসক সেদিনই জানিয়েছিলেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের দুসপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

কৌশিক শীল  চামুর্চি : প্রায় দেড় মাস ধরে জলসংকটে জেরবার বানারহাট থানার চামুর্চি বাজার এলাকা। জলস্তর নেমে যাওয়ায় পাম্প দিয়ে রিজার্ভারে পর্যাপ্ত জল উঠছে না। তাই কলে জল সরবরাহ প্রায় বন্ধ। পরিস্থিতি সামলাতে চারটি ট্যাংকে জল ভরে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। সেই ট্যাংক থেকে জল সংগ্রহের জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি লেগে যাচ্ছে। চামুর্চি এলাকায় একজন করোনা সংক্রামিতের হদিস পাওয়ার পর এমনিতেই মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জল সংগ্রহের জন্য রোজ ভিড় হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকার বাসিন্দারা।

চামুর্চি এলাকায় জলের সমস্যা নতুন নয়। এখানকার বাসিন্দাদের বছরে বেশ কয়েক মাস তীব্র জলকষ্ট সহ্য করতে হয়। বছর কয়েক আগে চুনাভাটি চা বাগান এলাকায় একটি পাম্প বসানো হয়। সেই পাম্প থেকে রিজার্ভারে জল তুলে তা এলাকায় সরবরাহ করা হত। এতে সমস্যা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন ধরে ভূগর্ভস্থ জলস্তর নীচে নেমে যাওয়ায় রিজার্ভারে জল উঠছে না। এই অবস্থায় পিএইচইর তরফে এবং স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কয়েকটি জলের ট্যাংকের ব্যবস্থা করা হয়। চামুর্চি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান চন্দনা রায় বলেন, চারটি ট্যাংক দিয়ে জলের চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা চলছে। দিনে মোট চারবার ট্যাংকগুলি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে জল সরবরাহ করছে। জল সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেকেই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না এমন অভিযোগ উঠে আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষ এবং পিএইচইর আধিকারিকদের সঙ্গে আমরা কথা বলে দেখছি। পারভিন সুলতানা নামে এক বাসিন্দা বলেন, ট্যাংক দিয়ে জলের চাহিদা কোনওরকমে মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আমরা এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাইছি।

চামুর্চির বাসিন্দা তথা পশ্চিমবঙ্গ তরাই-ডুয়ার্স-শিলিগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (গোর্খা কমিউনিটি)-র সহ সভাপতি সন্দীপ ছেত্রী বলেন, এখানকার জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। নতুন করে একটি পাম্প বসানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। গত ডিসেম্বর মাসেই জেলা শাসককে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছিলাম। মাস দেড়েক আগে জলসংকট চরম আকার ধারণ করার পর ফের জেলা শাসক সহ বিডিও এবং পিএইচইর আধিকারিকদের লিখিতভাবে জানাই। আশা করছি দ্রুত কোনও পদক্ষেপ করা হবে। গত ৬ জুন ধূপগুড়ি বিডিও অফিসে জেলা শাসক অভিষেক তিওয়ারি জলের সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। জেলা শাসক সেদিনই জানিয়েছিলেন, তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের দুসপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।