শিকেয় ডাম্পিং গ্রাউন্ডের কাজ, আবর্জনায় ঢাকছে শহর  

155

বীরপাড়া: ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির কাজ শুরু হয়েও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যার ফলে আবর্জনায় ঢাকছে আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়ার বাজার সহ বসতি এলাকাগুলি। বীরপাড়া-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের অনুমতি পেলেই ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির কাজ ফের শুরু করা হবে।

বীরপাড়ার দিনবাজার, নয়া বাসস্ট্যান্ড, রবীন্দ্রনগর, দেবীগড়, শরৎ চ্যাটার্জি কলোনি, সারদাপল্লী, কলেজপাড়া, সুভাষপল্লী, শান্তিনগর কলোনি, ক্ষুদিরামপল্লী, নতুন বাসস্ট্যান্ড সহ প্রত্যেকটি এলাকায় আবর্জনা স্তূপ অন্যতম সমস্যা বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। ডাম্পিং গ্রাউন্ড না থাকায় বাড়িঘরের আশেপাশে এবং নিকাশি নালায় জমছে আবর্জনার স্তূপ। রাতের আঁধারে ক্যারিব্যাগে আবর্জনা ভরে একে অপরের বাড়ির সামনে ফেলে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ অনেকেরই। কাউকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আবর্জনা ফেলার কাজ করতেও দেখা যায় মাঝে মাঝে। তবে বীরপাড়ার আবর্জনা গ্রাম পঞ্চায়েতের নিয়োজিত কর্মীরাই দূরে নিয়ে ফেলেন বলে দাবি গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের। বীরপাড়ার আবর্জনা ফেলা হয় ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ের দু’পাশে এমনকি বিরবিটি নদীর বুকেও। ফলে বীরপাড়ার দূষিত আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে।

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য প্রথম ধাপে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বরাদ্দ ২০ লক্ষ টাকা জমিজটে ফেরত যায়। ২০২০ সালের গোড়ায় পঞ্চায়েত সমিতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে ফের কাজ শুরু গ্যারগান্ডা নদীর তীরে। এজন্য ৩৮ লক্ষ টাকার পরিকল্পনা করে পঞ্চায়েত সমিতির। এর মধ্যে ১০ লক্ষ টাকায় প্রাথমিক পরিকাঠামো তৈরির দ্বায়িত্ব দেওয়া হয় বীরপাড়া-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতকে। জমি প্রবেশের রাস্তা তৈরি বাবদ ১০০ দিনের প্রকল্পে আরও ৭-৮ লক্ষ টাকা খরচের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু লকডাউনের জেরে বন্ধ হয়ে যায় কাজ। তা আর শুরু হয়নি। বীরপাড়া-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রমেশ মণ্ডল জানান, ব্লক প্রশাসনের অনুমতি পেলেই কাজ শুরু করা হবে।