করোনা আবহে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে বাঁশরীর পুজো

0
199
- Advertisement -

গাজোল: বাঁশরী সাংস্কৃতিক সংস্থা পরিচালিত বিবেকানন্দ পল্লী সর্বজনীন এবার পা দিল ৪০ বছরে। ইচ্ছে ছিল এবারের পুজো একটু বড় মাপের করার। গত বছর পুজোর পর থেকেই এবারের পুজোর প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছিল তারা। গাজোল শহর এলাকার কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় প্রতিবারই নজরকাড়া পুজো উপহার দেয় বাঁশরী। সেই অনুযায়ী ৪০তম বর্ষে গাজোলবাসীকে একটু ভিন্ন স্বাদের পুজো উপহার দেওয়ার ইচ্ছে ছিল তাদের। কিন্তু বাধ সাধল করোনা, আর তার জেরে কাটছাঁট করতে হল সমস্ত কিছুই। করোনা আবহে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে এবার পুজো করতে হচ্ছে। তাই পুজোর নিয়মবিধির পাশাপাশি মানা হবে করোনা সম্পর্কিত নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক গোপাল সূত্রধর এবং পরিতোষ রায় বলেন, ‘ইচ্ছে ছিল ৫০ বছর পূর্তির আগে ৪০তম বর্ষে একটা নতুন কিছু করার। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি পালটে দিল সবকিছু। তাই এবারের পুজোর জন্য যে সমস্ত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল তার প্রায় সমস্তটাই বাদ দেওয়া হয়েছে। তবুও যেহেতু বাঁশরীর পুজোর প্রতি দর্শনার্থীদের একটা আলাদা চাহিদা থাকে তাই অনেক কাটছাঁট করে এবার বাজেট করা হয়েছে দু’লক্ষ টাকা। প্রতিমা তৈরি করছেন মালদার মৃৎশিল্পী ভেলুচরণ পাল। পুজো মণ্ডপ তৈরি করছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের মণ্ডপ শিল্পী বিকাশ মহন্ত। তবে করোনা পরিস্থিতির জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুজো কমিটির স্বেচ্ছাসেবকরা বিভিন্ন বিষয়ের উপর নজর রাখবেন। যেহেতু গ্রামীণ এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ ঠাকুর দেখতে আসেন তাই তাঁদের প্রতি বিশেষ নজর থাকবে আমাদের।’

পুজো কমিটির সভাপতি শুভাশিস সরকার বলেছেন, ‘এবার আমাদের পুজো মণ্ডপ হচ্ছে অনেকটা খোলামেলা। স্যানিটাইজার চ্যানেলের মধ্য দিয়ে প্রতিটি দর্শনার্থীকে পুজো প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে হবে। প্রবেশপথ এবং বাহির পথ থাকছে আলাদা আলাদা। এছাড়াও যে সমস্ত দর্শনার্থীরা মাস্ক ছাড়া ঠাকুর দেখতে আসবেন তাঁদের প্রত্যেককে মাস্ক দেওয়া হবে। করোনা সম্পর্কে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তাও দেওয়া হবে আমাদের পুজো কমিটির তরফে। সব মিলিয়ে সরকারি সমস্ত নিয়মকানুন মেনে এবং করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করেই মাতৃ আরাধনা করবে বাঁশরী।’

- Advertisement -