নদীতে জলস্ফীতি ও করোনা পরিস্থিতিতে ফিকে হয়ে গেল দশমীর প্রতিমা নিরঞ্জন

333

বিশ্বজিৎ সাহা, মাথাভাঙ্গা: গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতে মাথাভাঙ্গার সুটুঙ্গা নদীতে জলস্ফীতি ও করোনা পরিস্থিতিতে সোমবার মাথাভাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী দশমীর বর্ণময় প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠান কার্যত ফিকে হয়ে গেল। মাথাভাঙ্গা শহরের সুটুঙ্গা নদীর বর্ণময় প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানকে শহরবাসী ইছামতির প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করলেও এবছর নদীতে জলস্ফীতির কারণে এবং করোনা সংক্রমণের জেরে এদিন সুটুঙ্গা নদীতে নৌকা চলাচলের অনুমতি দেয়নি মহকুমা প্রশাসন।

মাথাভাঙ্গা শহরে খাদনের ঘাটে প্রশাসনের কড়া নজরদারিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়। খাদনের ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠানের তদারকি করেন মাথাভাঙ্গার অ্যাডিশনাল এসপি সিদ্ধার্থ দরজি, মহকুমা শাসক জিতিন যাদব ও মাথাভাঙ্গা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক। যদিও প্রতিমা নিরঞ্জনের শোভাযাত্রায় সামাজিক দূরত্বের লেশমাত্র ছিল না। খাদনের ঘাটে নামার মুখে এবং খাদনের ঘাটের উলটো দিকে শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সুটুঙ্গা নদীর ধারে প্রতিমা নিরঞ্জন দর্শন করতে উৎসাহী মানুষের ভিড় চোখে পড়ে। জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন পুজো প্যাণ্ডেল থেকে প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রাতেও সামাজিক দূরত্ব লক্ষ্য করা যায়নি। মাথাভাঙ্গার মহকুমা শাসক জিতিন যাদব বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে কিভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হবে তা নিয়ে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে আগেই প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হয়। আর সেখানেই সুষ্ঠুভাবে প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পন্ন করার প্রশাসনিক নির্দেশিকা পূজা কমিটিগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়।’ সোমবার সেই নির্দেশ মেনেই মাথাভাঙ্গায় প্রতিমা নিরঞ্জন অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে মহকুমা শাসক জানান। মাথাভাঙ্গা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক জানান, গতকাল মাথাভাঙ্গা খাদনের ঘাটে ৩০টি প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

- Advertisement -