আড়াইশো বাম কর্মীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা

126

কলকাতা: পুলিশকর্মীকে হেনস্থার অভিযোগে এবার ২৫০ বাম কর্মীর বিরুদ্ধে মা্মলা।নবান্ন অভিযানের দিন আহত হয় হাসপাতালে নিহত মইদুল ইসলামের মরদেহ দীনেশ মজুমদার ভবনে এসে পৌঁছাবার আগেই উত্তেজিত বাম ছাত্রদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পুলিশ কর্মী। তবে ওই পুলিশকর্মীকে উত্তেজিত দলীয় কর্মীদের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন ডিওয়াইএফআই নেতারাই। ওই ঘটনায় কর্তব্যরত অবস্থায় এক পুলিশকর্মীকে মারধর ও হেনস্তা করার অভিযোগে মধ্য কলকাতার তালতলা থানায় কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আড়াইশো জন বাম ছাত্র কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এদিন কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, সোমবার যখনই ঘটনা ঘটে সেই সময়কার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হামলাকারী বাম কর্মীদের চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যে তারা শুরু করে দিয়েছেন।

অপরদিকে এদিনই মধ্য কলকাতার নিউমার্কেট থানার পক্ষ থেকে সিপিএম দলের নেতা তথা চিকিৎসক ফুয়াদ হালিমমের কাছে মইদুল ইসলামের ব্যাপারে কিছু তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য গত ১১ ফেব্রুয়ারি নবান্ন অভিযান এর দিন আহত অবস্থায় মইদুলকে মধ্য কলকাতার কিড স্ট্রিট এ অবস্থিত ফুয়াদ হালিমের নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ১৪ফেব্রুয়ারি তাকে দক্ষিণ কলকাতার শেক্সপিয়ার সরণি থানার অন্তর্গত উড স্ট্রিটের একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ওই নার্সিংহোমটির পক্ষ থেকে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় শেক্সপিয়ার সরণি থানায় সে সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে ডাক্তার ফুয়াদ হালিমের ক্লিনিকে মইদুল ইসলাম চিকিৎসাধীন যে সময়টা ছিল সে সময় টি তার সম্পর্কে কিছুই তাদের জানানো হয়নি বলে পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ। আর সম্ভবত সেই কারণে পুলিশের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মইদুল ইসলামের শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল তা জানতে চেয়েছে পুলিশ।যদিও মইদুলের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিবাদকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ডিওয়াইএফআই ও এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে আগামীকাল রাজ্যের সব থানা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আর পরদিন অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি রেল রোকো আন্দোলনের। তবে সেদিন কিছু পরীক্ষা থাকায় ওই রেল রোকো কর্মসূচি তারা বিকেলে পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।

- Advertisement -