নিউজ ব্যুরো, ১০ নভেম্বরঃ ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত পশ্চিমবঙ্গের উপকূল অঞ্চল। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে। ঝড়ের প্রকোপ কমার পর রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে খোঁজখবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সব ধরণের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে সকলে যাতে সুরক্ষিত থাকে তার জন্যও টুইটারে প্রার্থনা করেন মোদি। শনিবার ঝড় চলাকালীন নবান্নের কন্ট্রোল রুমেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাতের দিকে তিনি জানান, বড়ো ক্ষতি সামলে দেওয়া গিয়েছে। তবে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। রবিবারেও নবান্নে কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নবান্ন সূত্রে খবর, দুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের মূলত বিভিন্ন ফ্লাড শেল্টার, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা কেন্দ্র এবং স্কুলে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই সব এলাকায় স্কুল-কলেজে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দুর্গতরা যাতে সেখানে থাকতে পারেন, সে জন্য সোমবার পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ৬৮ হাজার ৬৮০ জনকে শিবিরে রাখা হয়েছে। উত্তর চব্বিশ পরগনায় ৪৩ হাজার, পূর্ব মেদিনীপুরে ২২ হাজার, হাওড়া ও হুগলিতে প্রায় ১০ হাজার জন করে মানুষকে নিরাপদ শিবিরে রাখা হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে কলকাতার কিছু এলাকা থেকেও প্রায় দু’হাজার মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। পুরসভা তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে।