বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও বোমা বাজির মাঝেও ৮২ শতাংশের বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে

63

বর্ধমান: ষষ্ঠ দফায় বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানে দ্বিতীয় পর্বে ৮টি বিধানসভা আসনে নির্বাচন সম্পন্ন হল। ভোট পর্বের মাঝে আজ বৃহস্পতিবার ৮টি আসনের মধ্যে গলসি ছাড়াও এদিন অশান্ত হয়ে ওঠে কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, ভাতার ও আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকা। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে অশান্তি ছায়া পড়েনি ভোটার উৎসাহে। এদিন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জেলায় ভোট পড়েছে ৮২.১৩ শতাংশ।

গলসির পাশাপাশি এদিন বড় অশান্তির ঘটনা ঘটে জেলার কেতুগ্রামে ও মঙ্গলকোটে। এদিন বেলায় কেতুগ্রাম বিধানসভার ১০১ নম্বর বুথের বাইরে বিজেপি ও তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষ চলাকালীন বোমাবাজির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন জখম হয়। সংঘর্ষ শুরু হতেই আতঙ্কে ভোট গ্রহন কেন্দ্র ছেড়ে পালিয়ে যেতে শুরু করেন ভোটারেরা। ঘন্টা খানেক ভোট পর্ব স্থগিত থাকার পর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রহরায় ফের শুরু হয় ভোট গ্রহন পর্ব। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় তৃণমূল-বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পালটা অভিযোগ তুলে ধরেছে।

- Advertisement -

অন্যদিকে মঙ্গলকোট বিধানসভার বড়গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯ নম্বর বুথে এবং তালডাঙা গ্রামেও এদিন ভোট চলাকালীন অশান্তি চরমে ওঠে। ৯ নম্বর বুথের তৃণমূলের এজেন্ট জগন্নাথ মণ্ডলকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে। যদিও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ভোট গ্রহণ পর্ব চলাকালে প্রায় একই সময়ে অশান্ত হয়ে ওঠে মঙ্গলকোটের তালডাঙা গ্রাম। অশান্তি ছড়ায় আউশগ্রাম বিধানসভা এলাকাতেও। এদিন শিবদাগ্রামে বিজেপির বুথ ক্যাম্পে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। হামলায় বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হন বলে খবর। যদিও তৃণমূলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছে বিজেপি নেতারা গোষ্ঠীদ্বন্ধ আড়াল করতে তৃণমূলে ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে । পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধেও আউশগ্রাম-১ ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি জুলফিকার আলী মণ্ডলকে মারধরের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত নেমে পুলিশ এক বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।