অনুব্রত মণ্ডলের মতো তৃণমূল ভাইরাসদের টিকা তৈরি করছে ইডি-সিবিআই: সায়ন্তন বসু

316

দুর্গাপুর: বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল শনিবার ভাইরাসের সঙ্গে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের তুলনা করেছিলেন। এবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে রবিবার দলীয় কর্মসূচিতে “চায়ে পে চর্চা’য় তার পাল্টা দিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। অনুব্রত মন্ডল সহ রাজ্যের যে যে তৃণমূল কংগ্রেস নেতার এই ধরণের ভাইরাস রয়েছে তাদেরও টিকাদান কর্মসূচি নেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। দুর্গাপুরে বিজেপি রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসুর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে।

এদিন দুর্গাপুরের মায়া বাজারে “চায়ে পে চর্চা” অনুষ্ঠানে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, ইডি ও সিবিআই অনুব্রত মন্ডলের মতো তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের টিকা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সেই টিকা এনামুলের ঘরে তৈরি হচ্ছে। কারণ দুর্নীতির দমন একমাত্র এই টিকাদান করেই সম্ভব। বহিরাগতদের দিয়ে বিজেপি ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের ভোট বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের এই অভিযোগের উত্তরে সায়ন্তন বসু পাল্টা প্রশ্ন করেন, পিকে কোন রাজ্যের বাসিন্দা?

- Advertisement -

এদিকে সায়ন্তন বসুর এই বক্তব্যের পাল্টা উত্তরও দেন দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কো-অর্ডিনেটর বিশ্বনাথ পাড়িয়াল। বিশ্বনাথের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপির জনসমর্থন নেই। তাই বিজেপি এই বাংলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা আর রাজ্য সরকারকে অপদস্থ করার চক্রান্ত করছে। আর যার প্রমাণ সায়ন্তন বসুর এই মন্তব্য। আর যারা পিকেকে রাজনৈতিক দলের নেতা বলছেন তারা কিছু না জেনে কথা বলছেন। কারণ পিকে রাজনৈতিক দলের কোনও নেতা নন। আর বিজেপির বহিরাগতরা ওদের দলেরই কেন্দ্রীয় নেতা। তাই ওদের নিয়ে যত কম বলা যায় তত ভালো।

অন্যদিকে, পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, বিজেপির এইসব নেতারা দৃশ্য দূষণ করেন। এদের নিয়ে যত কম কথা বলা যায়, ততই ভালো। এরা এইসব কথা বলে, দলে নিজেকে প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করছেন। কারণ, এইসব নেতাদের তো আর নিজের রাজ্য কোন গুরুত্ব নেই।