আলু-পেঁয়াজের কালোবাজারি রুখতে রায়গঞ্জের বাজারের ইডি-র হানা

447

রায়গঞ্জঃ আলু-পেঁয়াজের কালোবাজারি রুখতে শুক্রবার রায়গঞ্জের বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাল পুলিশ ও এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা। তারা এদিন আলু-পেঁয়াজ মুজত রাখা গোডাউন গুলিতে আচমকা হানা দিয়ে মজুত রাখা সামগ্রীর নথি খতিয়ে দেখেন। গোডাউন মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

পুলিশ ও ইডি-র কাছে অভিযোগ ছিল, বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলু-পেঁয়াজ মজুত থাকার পরেও আলু প্রতি কেজি ৪০-৪৫ টাকা এবং পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী আলু-পেঁয়াজ মজুত করে বাজারে যোগান সংকট তৈরি করেছে। এরফলে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বেশি দামে আলু-পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এ কারণেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের থেকে আলু-পেঁয়াজের চড়া দাম নিচ্ছেন।

- Advertisement -

অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এদিন রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজারে জেলা এনফোর্সমেন্টের আধিকারিক, রায়গঞ্জের বিডিও রাজু লামা, ডিএসপিডিইবি পি.কে সিনহা এবং রায়গঞ্জ থানার আইসি সুরজ থাপা-সহ রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী অভিযান চালান। তারা আলু, পেঁয়াজের আড়তদারদের গুদামে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালান ও স্টক মিলিয়ে দেখেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় আলু ও পেঁয়াজের জোগান কম থাকায় দাম বেড়েছে। ১০-২০ টাকা প্রতি বস্তায় লাভ রেখে বিক্রি করছেন। কোনও অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি, তাদের কাছে অতিরিক্ত মজুত নেই। বাজারে নতুন আলু না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা কম বলে তারা জানান।

রায়গঞ্জ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী জোগান না থাকায় দাম যথেষ্ট বেড়েছে। সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। তবে, যারা কালোবাজারি করবেন প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। ব্যবসায়ীদের তরফে প্রশাসনকে সহযোগিতা করা হবে। ডিএসপিডিইবি পি.কে সিনহা জানান, ক্রেতা সাধারণের থেকে যাতে বেশি দামের বিরুদ্ধে বা কালোবাজারির বিরুদ্ধে বাজারে অভিযান চালান হয়েছে। ব্যবসায়ীদের বেশি দাম না নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি বাজার থেকে বেশি দাম নেন বা কালোবাজারি করেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।