করোনা টিকার কার্যকারিতা এক বছর, দাবি এইমস প্রধানের

353

নয়াদিল্লি: করোনার টিকা এখনও আসেনি। এলেও শরীরে তার কার্যকারিতা ৯ মাস থেকে এক বছরের বেশি স্থায়ী হবে না বলে জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সেস (এইমস)-এর প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। তাঁর কথায়, করোনা টিকার কার্যকারিতা ন’মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ২০২৩ সালের মধ্যে করোনা মহামারির সমাপ্তি ঘোষণা করা হতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে।

তবে গুলেরিয়ার মতে, করোনা খুব সহজে যাবে না। বরং এটা স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। হয়তো সাধারণ একটা রোগ হিসেবে করোনা ভাইরাস থেকে যাবে। করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে গুলেরিয়া বলেন, করোনার টিকা এলে তা সংক্রমণের শৃঙ্খল ভেঙে দেবে। সেই কারণে এর প্রকোপ কমে যাবে জনসমাজে। জনসংখ্যার একটা বড় অংশের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে টিকা। ফলে ২০২৩ সালের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার আরও কমে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

- Advertisement -

এই মুহূর্তে অন্তত পাঁচটি কোভিড ভ্যাকসিন দেশের বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড, যা তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউ। এছাড়া ভারত বায়োটেকের টিকা কোভ্যাকসিন, জাইডাস ক্যাডিলার তৈরি জাইকোভ ডি, রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি এবং হায়দরাবাদের একটি ওষুধ সংস্থার তৈরি বায়োলজিকাল ই-র মতো ভ্যাকসিন যেকোনও দিন তৈরি হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানিয়েছেন, মার্কিন সংস্থা ফাইজারের তৈরি টিকা হয়তো ভারতে আমদানি করার প্রয়োজন হবে না। যে পাঁচটি টিকার গবেষণা ও উৎপাদনের কাজ ভারতে চলছে, তাতেই কাজ হয়ে যাবে। এদিকে গুলেরিয়ার লেখা বই টিল উই উইন-এর সহলেখক গগনদীপ কাঙয়ের বক্তব্য, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও যথেষ্ট সময় লাগবে। তাঁর কথায়, আমরা আগের মতো অর্থাৎ ২০১৯-এর অবস্থা আর ফিরে পাব না।