করোনার প্রকোপে শুনসান ইদের বাজার

83

রায়গঞ্জ: প্রতিবার ইদের আগে শহরে বড়বাজার বসত। গরমেও রায়গঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ভিড় করত বিভিন্ন বাজারে। দিল্লি এবং ভিন রাজ্যের সেমাই নিতে হাজির হত প্রতিবেশী রাজ্য বিহারের ক্রেতারাও। কিন্তু করোনার প্রকোপে এবার সেই বাজার প্রায় শুনসান। ইদের আগে কয়েকটি দোকান বসলেও বিক্রি একেবারে কম বলে বিক্রেতাদের দাবি। ক্ষতির কথা চিন্তা করে অনেকেই আবার দোকান বসাননি। গতবছর করোনার প্রকোপে ইদের বাজার জমেনি। সেজন্য এবার দোকানের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে।

বিক্রেতাদের দাবি, ক্রেতাদের অনেকটা অংশ হেমতাবাদ করণদিঘি, টুঙ্গিদিঘি, কালিয়াগঞ্জ ইটাহারও পার্শ্ববর্তী রাজ্য বিহার থেকেও আসেন। করোনা প্রকোপে তারাও যাচ্ছেন না। প্রশাসনিক বিধিনিষেধ, যাতায়াতের সমস্যাও সময় বেধে দেওয়ার ফলে শহর এলাকার মানুষের সময় মত যেতে পারছেন না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষেরা। ফলে লাড্ডু লাচ্ছার বিক্রিও কমে গিয়েছে বলে দাবি দোকানিদের। বিগত বছরগুলোতে যেখানে ৩০-৪০টি দোকান বসত এখন সব মিলিয়ে ৫-৭টি দোকান বসেছে। রায়গঞ্জ শহরের বন্দরে ৩টি দোকান ও মোহনবাটিতে ২টি দোকান বসেছে।

- Advertisement -

সেমাই বিক্রেতা আকতার আলি জানান, বাইরে থেকে সামগ্রী আনতে সমস্যা হচ্ছে যাতায়াতের ব্যবস্থা ঠিকঠাক না থাকার ফলে অনেকেই সামগ্রী আনতে পারেন নি। করোনা বিধি মেনেই দোকান করছি। আতর থেকে সুরমা এবং ইদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রির দোকান দিয়েছেন মহম্মদ তানজির। তিনি জানান, নামাজ পড়াতে উনারা নিয়মবিধি মানতে হচ্ছে। তাই এবার অনেকেই সব কাজ বাড়িতেই করছেন। তাতেই ভাঁটা পড়ছে বিক্রিতে। ফল বিক্রেতা সমর দাস বলেন, ‘করোনার প্রকোপে ফলের বাজারেও ভাটা পড়েছে। প্রত্যেকবারের তুলনায় এবার ইদের আগে বিভিন্ন ফলের বিক্রি অনেকটাই কমে গিয়েছে।’