গ্রামবাসীদের রক্ষা করতে সাপুরের দ্বারস্থ পঞ্চায়েত, উদ্ধার ৮টি বিষধর সাপ

287

বর্ধমান, ৩ অগাস্টঃ পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট পঞ্চায়েতের দীর্ঘপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা সাপের উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।সাপের কামড়ে গ্রামের কয়েকজনের অকালে মৃত্যু পর, দীর্ঘপাড়া গ্রামের মানুষজনকে সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচাতে পঞ্চায়েত সাপুড়ের দ্বারস্থ হল। বর্ষা শুরুর পরথেকে গত একমাস যাবৎ নাদনঘাটের দীর্ঘপাড়া গ্রামে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে বিষধর সাপ।

ইতিমধ্যেই সাপের দংশনে বিগত কয়েকদিনে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই নয় সাপের দংশনে গ্রামের ১৮ জন জখম হয়েছেন। তাঁরা প্রাণে বেঁচে গেলেও, গ্রাম জুড়ে সাপের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গ্রামের বাসিন্দাদের বক্তব্য গ্রামের রাস্তা ছাড়াও, বাড়ির ভেতর ঢুকেও সাপ ছোবল মারছে সেই আতঙ্কে চলাফেরা করা দায় হয়েছে। গ্রামবাসীদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে।

- Advertisement -

গ্রামের বাসিন্দা পিংকি খাতুন, অমিত গুপ্ত, লিলি বিবি, ফিরোজ মন্ডলরা জানিয়েছেন, মূলত চন্দ্রবোরা, গোখরো, ডোমনা চিতির মতো বিষধর সাপের উপদ্রবে এখন গ্রামে বসবাস করা দায়। গ্রামবাসীদের সাপের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে নাদনঘাট পঞ্চায়েত সাপুরেদের দিয়ে সাপ ধরার পরিকল্পনা নেয়। সেইমত সোমবার ১৫ জন সাপুরে গ্রামে পৌঁছে সাপ ধরার অভিযানে নামেন।

এবিষয়ে নাদনঘাট পঞ্চায়েতের সদস্য কামালউদ্দিন সেখ জানিয়েছেন, এই কয়েক দিনে দীর্ঘপাড়া গ্রামের ৩ জন বাসিন্দার বিষধর সাপের কামড়ে মৃত্যু হয়েছে। সকলেই আতঙ্কে রয়েছেন। তাই গ্রামের মানুষজনকে বাঁচাতে পঞ্চায়েতের উদ্যোগে সাপ ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। মেমারী থেকে আসা সাপুড়ে দল এইদিন গোখরো, চন্দ্রবোড়া সহ কালচে রঙের ৮টি বিষধর সাপ ধরেছে। সাপ গুলিকে বন দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।