৮ দফায় ভোট বাংলায়, জেনে নিন কবে কোথায়

92

নয়াদিল্লি: কোভিড আবহে সবদিক নজরে রেখে একুশের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। মোট ৮ দফায় ভোট ঘোষণা হল রাজ্যে। ভোট হবে ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল। অন্যদিকে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বাড়ানো হল রাজ্যের ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা। মোট ৩১ শতাংশ কেন্দ্র বাড়ানো হয়েছে একুশের নির্বাচনে। এছাড়াও করোনাকালে ভোট প্রচারে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছে কমিশন।

  • প্রথম দফার ভোট ২৭ মার্চ। ভোট হবে ৩০টি আসনে ‘পুরুলিয়া, বাকুড়া পার্ট-১, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর  পার্ট-১, পূর্ব মেদিনীপুর পার্ট-১’।
  • দ্বিতীয় দফায় ভোট ১ এপ্রিল। ভোট হবে ৩০টি আসনে ‘পশ্চিম মেদিনীপুর পার্ট-২, পূর্ব মেদিনীপুর পার্ট-২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা পার্ট-১, বাকুড়া পার্ট-২’।
  • তৃতীয় দফার ভোট ৬ এপ্রিল। ভোট হবে ৩১টি আসনে ‘হাওড়া পার্ট-১, হুগলি পার্ট-১, দক্ষিণ ২৪ পরগনা পার্ট-২’।
  • চতুর্থ দফার ভোট হবে ১০ এপ্রিল। ভোট হবে ৪৪টি আসনে ‘হাওড়া পার্ট-২ , হুগলি পার্ট-২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা পার্ট-৩, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার’।
  • পঞ্চম দফার ভোট ১৭ এপ্রিল। ভোট হবে ৪৫টি  আসনে ‘উত্তর ২৪ পরগনা পার্ট-১, নদিয়া পার্ট-১, পূর্ব বর্ধমান পার্ট-১, দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি’।
  • ষষ্ঠ দফার ভোট ২২ এপ্রিল। ভোট হবে ৪৩টি আসনে ‘উত্তর ২৪ পরগনার পার্ট-২, নদিয়া পার্ট-২, পূর্ব বর্ধমান পার্ট-২ ও উত্তর দিনাজপুর’।
  • সপ্তম দফার ভোট ২৬ এপ্রিল। ভোট হবে ৩৬টি ‘মালদা পার্ট-১, মুর্শিদাবাদ পার্ট-১, পশ্চিম বর্ধমান, কলকাতা দক্ষিণ ও দক্ষিণ দিনাজপুর’।
  • অষ্টম দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। ভোট হবে ৩৫টি আসনে ‘মালদা পার্ট-২, মুর্শিদাবাদ-২ বীরভূম ও কলকাতা উত্তর’।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বাড়ানো হয়েছে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা। বাংলার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে দুজন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে এবং মৃণালকান্তি দাস। এছাড়াও আয়-ব্যয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন বি মুরলিকুমার।

- Advertisement -

করোনাকালে ভোট প্রচারের ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে বিধিনিষেধ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের ক্ষেত্রে ৫ জন নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা জানিয়েছেন, ফৌজদারি মামলায় যাঁরা অভিযুক্ত রয়েছেন তাঁদের বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে হবে। এছাড়াও নিরাপত্তার স্বার্থে ভোটকেন্দ্রগুলিতে থাকবে সিসি ক্যামেরার নজরদারি। স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত বাহিনী।