এগারো দিন পর আদিবাসীদের দাবি নিয়ে পথে জিতেন্দ্র

245

আসানসোল: মানভঞ্জন শেষে ফিরে এসেছেন পুরোনো দলেই। যদিও তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কি তা এখনও স্পষ্ট নয়। এখনও ফিরে পাননি পুরোনো পদ। এমতবস্থায় দীর্ঘ সময় অন্তরালেই ছিলেন তিনি। তবে, টানা ১১ দিন বাদে রবিবার স্বমহিমায় দেখা গেল তাকে। আদিবাসী সংগঠনের তরফে ডাকা একটি মিছিলে পা মেলালেন তিনি।

সাঁওতালদের পৃথক ‘সারীধরম’ কোডের দাবিতে এদিন আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে সারীধরম মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে আয়োজিত হয় মিছিল। সেই মিছিলেই অংশ নেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, প্রায় একমাস আগে উদ্যোক্তাদের তরফে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। একইসঙ্গে, তারা যে দাবি তুলে ধরেছেন তাতে আমি সহমত পোষণ করছি। তাদের এই অধিকার পাওয়া উচিৎ।

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির মঞ্চ থেকে পুর ও নগরোন্নয়ণ মন্ত্রীকে বেলাগাম আক্রমণ করেছিলেন জিতেন্দ্র। সেইদিনই সদ্য বিজেপিতে যোগদানকরী সাংসদ সুনীল মণ্ডলের কাঁকসার বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে বৈঠকে যোগ দেওয়া। এরপরেই ১৬ ডিসেম্বর আচমকাই আসানসোল পুরনিগমের পুর-প্রশাসক এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বসেন। এতকিছুর পরে নিশ্চিত হয়ে যায় জিতেন্দ্র তিওয়ারি বিজেপিতেই যাচ্ছেন। যদিও রাতারাতি ভোলবদল হয়ে যায় তার। দু’দিন পরে কলকাতায় গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক শেষে জিতেন্দ্র তিওয়ারি স্পষ্ট করেছিলেন, তিনি কোথাও যাচ্ছেন না। তৃণমূল কংগ্রেসেই থাকছেন। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল একটু। তা মিটে গেছে। যদিও সেই ঘটনার ১১ দিন বাদেও জেলা সভাপতি সহ আসানসোল পুরনিগমের পুর-প্রশাসক পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। এমনকি পৃথক ওই দুটি পদে এখনও অবধি নতুন করে কাউকে বসানোও হয়নি। সেক্ষেত্রে বেশ ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, ওই দু’টি পদের দাবিদারও অনেক।