পেটকাটি মন্দিরের উন্নয়নের জন্য পরিদর্শনে পর্যটন দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার

238

ময়নাগুড়ি: পেটকাটি মন্দিরের উন্নয়নের জন্য পরিদর্শনে রাজ্যের পর্যটন দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার। বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়িতে মন্দির কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনা করেন।

মন্দির কমিটির তরফে পর্যটন দপ্তরে উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছিল। তার জেরেই এদিন পর্যটন দপ্তরের অ্যাসিস্ট‍্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শঙ্কর পাল, দপ্তরের ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রুপম সাহা ও ময়নাগুড়ি ব্লকের অবর সহ বাস্তুকর দেবাশিস সরকার এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পর্যটন দপ্তরের অ্যাসিস্ট‍্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শঙ্কর পাল বলেন, ‘আমরা রিপোর্ট তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দেব।’ তিনি বলেন, কমিটির দাবি ছিল। এখানে একটি মুক্তমঞ্চ, সীমানা প্রাচীর, রান্না করার ঘর, বসে খাওয়ার ঘর, কীর্তন ঘর, শৌচাগার ব্লক, পার্কিং জোন, একটি মূল গেট এবং পার্কিং গেট সহ ফুলের বাগান ও বিদ্যুতের বাতির ব‍্যবস্থা করা হবে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়। সেইমতো রিপোর্ট তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’

- Advertisement -

খাগড়াবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সীমা রায় বলেন, ‘মাটির নিচে খুঁড়ে পাওয়া এই মূর্তি আনুমানিক ৩০০ বছরের পুরোনো। কমিটির তরফে পর্যটন দপ্তরে উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছিল।’ পেটকাটি মন্দির কমিটির সম্পাদক তুষার মজুমদার বলেন, ‘দূরদূরান্তের পুণ‍্যার্থীরা এখানে পুজো দিতে আসেন। আমরা পর্যটন দপ্তরের কাছে উন্নয়নের দাবি জানিয়েছিলাম। সেই কারণেই এদিন পর্যটন দপ্তরের বাস্তুকার এসে মাপজোক করেন। তিন বিঘার কিছু বেশি জমি এখানে রয়েছে। বহু বছর আগে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের অর্থানুকূল্যে এখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সীমানা প্রাচীর এখন বিভিন্ন জায়গায় ভাঙতে শুরু করেছে।’