জঙ্গলে আগুন লাগানো রুখতে বন দপ্তরকে সক্রিয় হওয়ার দাবি

89

চালসা: শুষ্ক আবহাওয়ায় প্রায়ই জঙ্গলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে থাকে। সম্প্রতি খরিয়ার বন্দর জঙ্গলে আগুন লাগে। সেই সময় কোনওরকমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। তবে এভাবে জঙ্গলে আগুন লাগলে খাদ্যশৃঙ্খল ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশপ্রেমীরা। তাই এই শুষ্ক মরশুমে জঙ্গলে বনকর্মীদের নিয়মিত টহলদারির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বসন্তের এই শুষ্ক মরশুমে ঝরে পড়া শুকনো পাতায় অনেক সময় আগুন লেগে থাকে। আবার অনেকেই ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে শুকনো পাতায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এদিকে, বন দপ্তরের দাবি, জঙ্গলের শুকনো পাতায় আগুন না লাগানোর জন্য সাধারণ মানুষকে বারবার সচেতন করা হয়। তবে এতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না বলে দাবি পরিবেশপ্রেমীদের। শুকনো পাতায় লাগা আগুনের লেলিহান শিখা জঙ্গলের বাস্তুতন্ত্রে প্রভাব ফেলছে বলে অভিযোগ। চারাগাছ, ফলের বীজ থেকে কীটপতঙ্গ আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি পুড়ে যাচ্ছে বহু মূল্যবান বড় গাছও।

- Advertisement -

সেচ্ছাসেবী সংস্থা স্পোরের সম্পাদক শ্যামাপ্রসাদ পান্ডে বলেন, ‘অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে মজা নেওয়ার জন্য আবার অনেকেই অনিচ্ছাকৃতভাবে জঙ্গলে আগুন ধরিয়ে দেয়। জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত। জঙ্গলের পাতায় আগুন লাগলে বড় বন্যপ্রাণীরা কোনওক্রমে বেঁচে গেলেও ক্ষতি হয় কীটপতঙ্গদের। ফলে খাদ্যশৃঙ্খলে প্রভাব পড়তে পারে। এ বিষয়ে বন দপ্তরকে আরও সক্রিয় হওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।’

চালসার রেঞ্জার পল্লব মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘বনকর্মীরা নিয়মিত জঙ্গলে টহলদারি করেন। তবে জনগণকেও সচেতন হওয়ার আবেদন জানানো হয় বন দপ্তরের তরফে।’