ফালাকাটায় রিপোর্ট কার্ড বিলি ও প্রার্থীর প্রচারে টিএমসিপি

113

ফালাকাটা: ছাত্র-যুবদের টার্গেট করে মঙ্গলবার ফালাকাটা শহরের একাধিক এলাকায় রাজ্য সরকারের ১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড বিলি করল তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ। এছাড়াও নেতাজি রোডের ব্যবসায়ী মহলে দলের প্রার্থীর সমর্থনে ভোটের প্রচার চালায় টিএমসিপি।

সূত্রের খবর, প্রার্থীপদ নিয়ে ফালাকাটায় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কোনও ক্ষোভ বিক্ষোভ নেই। এছাড়া বিজেপি প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা হয়নি। তাই প্রার্থীর সমর্থনে তৃণমূল কংগ্রেস সহ সব শাখা সংগঠন ব্যাপকভাবে ভোটের প্রচার শুরু করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে ফালাকাটা শহরের ভোট ব্যাংক টানতে বাড়তি নজর দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। এর আগে শহরের ব্যবসায়ীদের মন জয়ের জন্য দোকানে দোকানে গিয়ে ভোট ভিক্ষার আবেদন জানান তৃণমূলের প্রার্থী সুভাষ রায়। এবার ছাত্র সংগঠনও সেই কাজ শুরু করল। শহরের ভোট ব্যাংক নিয়ে তৃণমূলের দুশ্চিন্তার মূল কারণ হল গত লোকসভা ভোটের ফলাফল। সেবার শহরের অধিকাংশ পাড়াতেই বিজেপির থেকে ভোট কম পায় তৃণমূল। তাই এবার ভোটের আগে থেকেই শহরবাসীর একাধিক দাবি পূরণের উদ্যোগ নেয় তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার ও প্রশাসন। পুরসভা ঘোষণা করা হয়। ব্যবসায়ীদের জন্য হাটখোলায় মার্কেট কমপ্লেক্সের কাজ হচ্ছে। এছাড়াও সবজি ব্যবসায়ীদের জন্য শেড ঘরের অনুমোদন দিয়েছে প্রশাসন। আবার ছাত্র-যুবদের মন পেতে শহরের টাউন ক্লাবে তৈরি হচ্ছে উন্নতমানের স্টেডিয়াম। এসবের বিনিময়ে এবার শহরে ভোট ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এজন্য মূল সংগঠনের পাশাপাশি অন্যান্য শাখা সংগঠনও এবার শহরাঞ্চলের ময়দানে ভোটের প্রচারে নেমেছে।

- Advertisement -

ক’দিন থেকেই শহরের পাড়া ধরে ধরে টিএমসিপির তরফে রাজ্য সরকারের ১০ বছরের রিপোর্ট কার্ড বিলি করা হচ্ছে। এর আগে তৃণমূলের মূল সংগঠনের নেতাদের মাধ্যমে রিপোর্ট কার্ড বিলি হলেও তা ছাত্র-যুবদের হাতে সেভাবে পৌঁছায়নি। এজন্য এবার সেই শূণ্যতা পূরণ করছে টিএমসিপি। সংগঠনের ফালাকাটা ব্লক সভাপতি শীর্ষেন্দু মৈত্র জানান, ধারাবাহিকভাবে পাড়া ভিত্তিক রিপোর্ট কার্ড বিলি করা হচ্ছে। এখনও পড়ুয়াদের জন্য সেভাবে কলেজ খোলেনি। তাই পাড়াতে গিয়েই নতুন ভোটার তথা কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হাতে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে দেওয়া হচ্ছে। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন টিএমসিপির দুই জেলা পর্যবেক্ষক শশাঙ্ক দে, হীরক সরকার, জেলা সম্পাদক দেবাঙ্কুর রক্ষিত, ব্লক সভাপতি শীর্ষেন্দু মৈত্র সহ আরও অনেকে।