বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ সিপিএমকর্মী, খুনের অভিযোগ পরিবারের

84

হেমতাবাদ: বন্ধুর বাড়ি থেকে পথে গুলিবিদ্ধ সিপিএমকর্মী রাজীব লোচন সরকার। নয়ানজুলি থেকে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরেই পরিবার ও দলের তরফে খুনের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। যদিও মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে হেমতাবাদ থানায়। সেক্ষেত্রে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে খবর,  হেমতাবাদ থানার হাৎজুগত গ্রামের বাসিন্দা মৃত রাজীব লোচন সরকার।ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। দিন সাতেক আগে বাড়ি ফিরে আসেন।  গতকাল সকালে মহিমপুরে বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিলেন। বাইক নিয়ে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা বলেই খবর। জানা গিয়েছে, হেমতাবাদের চৈনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার নাওঘাটা মোড় এলাকা থেকে তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়দের দাবী, গুরুতর জখম অবস্থায় নয়ানজুলি থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছিল। পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

- Advertisement -

পরিবারের দাবি,  আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাবা-কাকাদের সাহায্য করার জন্য সে বাড়ি ফিরেছিল। তবে সঠিক কি কারণে তাকে এভাবে গুলি করা হল তা বুঝে উঠতে পারছেন না পরিবারের লোকেরা। ঘটনায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

মৃতের মা ঝরি বর্মন সরকার বলেন, ‘যারা আমার ছেলেকে খুন করেছে তাদের খুঁজে বের করুক পুলিশ। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল বলেন, ‘ওই পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএম করে। কি কারনে আমাদের ওই কর্মীকে খুন করা হয়েছে পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুক। ৭২ ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার না হলে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হবে। শুধু তাই নয় গোটা জেলা জুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, ‘অপরাধীদের ধরতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে জেলা ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দারা।’