ইয়াসে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা, ধান কাটছেন কৃষকেরা

67

গাজোল: আমপানের প্রভাব তেমনভাবে দেখা না গেলেও আয়লাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন গাজোলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান চাষিরা। এবছরও চোখ রাঙাতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। আগামী বুধবার স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে সেই ঝড়। স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত পড়েছে বোরো ধান চাষিদের। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন আম পাট, ভুট্টা এবং সবজি চাষিরাও। ফলে পরিবারের লোকজনদের নিয়ে ধান কাটতে মাঠে নেমেছেন কৃষকেরা। অতি দ্রুত ধান কেটে নিয়ে আসছেন খামারে।

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি গৌড়বঙ্গেও ইয়াসের প্রভাব লক্ষ্য করা যেতে পারে। দুশ্চিন্তায় রয়েছে বোরো ধান চাষিরা। কারণ এই সময় মাঠের ধান পেকে গিয়েছে। শুধু ঘরে তোলার অপেক্ষা। কিন্তু লকডাউনের জেরে পাওয়া যাচ্ছে না ধান কাটার শ্রমিক। ফলে কৃষকেরা নিজেরাই দান কেটে নিয়ে আসছে। সোমবার গাজোলের আলাল এবং বৈরগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এমনই চিত্র দেখা গেল। জোরকদমে জমিতে কাজ করছেন কৃষকেরা।

- Advertisement -

মুড়িয়াকুণ্ড এলাকার কৃষক সুধীর বিশ্বাস, রতন বিশ্বাসরা জানান, কয়েকদিন আগে বৃষ্টি, শিলা বৃষ্টির জেরে ধান এবং পাট চাষে যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। এবারের ঝড়ের আগে মাঠের ধান ঘরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে সমস্ত এলাকায় বোরো ধান পেকে গিয়েছে। শুধুমাত্র ঘরে তোলার অপেক্ষা। এখন যদি ঝড় কিংবা বৃষ্টি হয় তবে একেবারে সর্বনাশ হয়ে যাবে। এই দুদিনে হয়তো সম্পূর্ণ ধান কাটা সম্ভব হবে না। তবুও যতটা ধান তুলে আনা যায় তার জন্য চেষ্টা চলছে। প্রশাসনের তরফে কোনও সতর্কবার্তা এদিন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।