রাজগঞ্জ, ৪ জুনঃ রাজগঞ্জের গজলডোবার মিলনপল্লির জমি থেকে সরকারি প্রকল্পের ফলক উপড়ে ফেলতে মঙ্গলবার কৃষকরা জমিতে নামেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে কৃষকদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশের বাধায় ফলক না তুলতে পারলেও প্রশাসনকে তিন দিনের সময় বেধে দেন কৃষকরা। এরমধ্যে সরকারিভাবে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী না হলে জমি থেকে প্রকল্পের ফলক উপড়ে ফেলবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন কৃষকরা। তাঁদের দাবি, রক্তের বিনিময়ে হলেও তাঁরা জমি রক্ষা করবেন।

প্রসঙ্গত, গজলডোবা ভোরের আলো থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে হেলিপ্যাড সহ কয়েকটি সরকারি প্রকল্প করার জন্য জমি চিহ্নিত করেছে রাজ্য সরকার। কৃষকদের দাবি, এই জমিতে তাঁরা প্রায় ৪০ বছর থেকে চাষাবাদ করছেন। অনেকের জমির পাট্টা রয়েছে। কিন্তু সরকারিভাবে কৃষকদের না জানিয়ে প্রকল্প করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই জমি চলে গেলে পরিবার নিয়ে তাঁদের বাঁচার উপায় থাকবে না। তাই কোনও অবস্থাতেই তাঁরা জমি দিতে নারাজ। এদিন কৃষকদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কিষাণ মোর্চার জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি নবেন্দু সরকার, জেলা সম্পাদক নকুল দাস, মহিলা মোর্চার জেলা সম্পাদক মায়া রায় প্রমুখ।

নবেন্দুবাবু বলেন, ‘আমরা এই জমি উদ্ধারের আন্দোলনের পাশাপাশি আইনি লড়াইয়ে নেমেছি। অধিগ্রহণের যে নিয়ম রয়েছে তা উপেক্ষা করেছেন ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক। তাই আইনি লড়াইয়ে বিএলআরআরও-কেও বাদী হিসাবে রাখা হবে।’