৪ জানুয়ারির বৈঠক ব্যর্থ হলে আরও বড় আন্দোলনের ডাক কৃষকদের

167
প্রতীকী

নয়াদিল্লি: কৃষি আইন বাতিল নিয়ে লড়াই দিন দিন জোড়দার হচ্ছে। এবার আরও বড় আন্দোলনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছেন কৃষকরা।

কৃষক নেতারা জানান, ৪ জানুয়ারির বৈঠক পর্যন্ত তাঁরা অপেক্ষা করবেন। ওই দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁদের সপ্তম দফায় বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের ফল কৃষকদের পক্ষে না গেলে এবার দিল্লি সীমানায় আটকে না থেকে বিশাল ট্রাক্টর মিছিল করবেন তাঁরা। ৬ জানুয়ারি ট্রাক্টর মিছিলের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা যুধবীর সিং এই মর্মে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

- Advertisement -

কেন্দ্রের সঙ্গে শেষ বৈঠকের এজেন্ডায় কৃষকদের তরফে চারটে প্রস্তাব ছিল। তার মধ্যে দু’টি প্রস্তাব কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর মেনে নিলেও মূলত যে দাবির ভিত্তিতে আলোচনা, তা নিয়ে কোনও কথাই হয়নি। কৃষি আইন বাতিলের প্রসঙ্গ কৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন কৃষকরা। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিয়েও কোনও আলোচনা হয়নি। তার পরেও ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই নতুন ইংরেজি বছরের শুরুতে, ৪ জানুয়ারি ফের কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন কৃষকরা।

যুধবীর সিংয়ের কথায়, ‘কেন্দ্র কৃষকদের হালকা ভাবে নিচ্ছে।’ কেন্দ্র শাহীনবাগের প্রতিবাদীদের ছত্রভঙ্গ করতে সক্ষম হয়েছে বলে ভাবছে আমাদের সঙ্গেও একই কৌশল নেবে। কিন্তু, সেই দিন কখনও আসবে না।’ তিনি বলেন, ‘৪ জানুয়ারি সরকার যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, সে ক্ষেত্রে কৃষকদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আশানুরূপ ফল না হলে, হরিয়ানা-রাজস্থান সীমানায় যে কৃষকরা আন্দোলন চালাচ্ছেন, তাঁরাও এ বার দিল্লির দিকে রওনা দেবেন।’ দাবি না মিটলে হরিয়ানার সমস্ত পেট্রলপাম্প ও শপিংমল বন্ধ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষক নেতারা। পাশাপাশি সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত স্বরাজ ইন্ডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা যোগেন্দ্র যাদব জানান, ৫০ শতাংশ ইস্যু মিটে গিয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে যে দাবি করা হয়েছে, তা মিথ্যে। তাঁদের মূল দুটি দাবি, নয়া তিন কৃষি আইন বাতিল ও ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি নিশ্চয়তার বিষয়টি এখনও মেটেনি।