পর্যটনের বিকাশে গরুবাথানে উৎসব

223

মালবাজার: পর্যটন, শিল্প, অর্থনৈতিক বিকাশের লক্ষ্যে উৎসব শুরু হল গরুবাথানে। গরুবাথান ডুয়ার্স ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে কালিম্পং জেলার গরুবাথানের চেল খোলা পিকনিক কেন্দ্রের পাশে শীতের মিঠে রোদ মেখে উৎসবে মেতে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সহ পর্যটকরা।

এদিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গরুবাথান এলাকার সমাজসেবী তথা গরুবাথান পর্যটন সংস্থার কর্মকর্তা শ্যাম থাপা বলেন, ‘গরুবাথান এলাকায় পর্যটনের বিকাশের সম্ভাবনা প্রবল। এই ধরনের উৎসব-অনুষ্ঠান সম্ভাবনার বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে। আমরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করছি।’ মূলত স্থানীয় এলাকার যুব প্রতিভাদের শিল্পকর্ম ও প্রতিভা তুলে ধরতেই মঙ্গলবার পর্যন্ত এই উৎসব আয়োজন হচ্ছে। উৎসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি নানা সামগ্রীর স্টল রয়েছে। যুব শিল্পীদের তৈরি করা বিভিন্ন শিল্পকর্ম নজর কাড়ছে। উৎসবস্থলের পাশেই মেলা চলছে। উৎসবকে নিয়ে মেলার বিক্রেতা এবং ক্রেতা উভয়ই আশান্বিত।

- Advertisement -

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লালবাহাদুর রাই বলেন, ‘এখন পিকনিকের মরসুম চলছে। পর্যটকরাও আসতে শুরু করেছেন। সাধারণত আমাদের এলাকার স্থানীয় প্রতিভারা সেভাবে শিল্পকর্ম তুলে ধরার সুযোগ পান না। তারাও শিল্পকর্ম তুলে ধরতে পারছেন।’ গরুবাথান ব্লকের প্রত্যন্ত সৌরিনী বনগ্রাম থেকে মধু নিয়ে এসেছিলেন অজিত রাই। তিনি বলেন, ‘আমরা এর আগেও কৃষি বিভাগের কৃষি মেলায় মধু বিক্রির সুযোগ পেয়েছিলাম। এবার ফের সুযোগ মিলল। আমরা অর্থনৈতিক বিকাশের পথ খুঁজছি। সেক্ষেত্রে এই ধরনের উৎসব এবং মেলা সহযোগিতা করবে।’ এদিন চেল খোলায় পিকনিকে কোচবিহার, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কলিম্পং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ এসেছে। আয়োজক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেস এবং পাবলিকেশন সম্পাদক হায়দার আলি বলেন, ‘আমরা কোভিড পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছি। কোভিডবিধি মেনেই আমরা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।’ উৎসবে ব্যাপক সাড়া মেলায় উৎসাহিত বিভিন্ন মহল।