ক্লাব-বিদ্রোহ দমনে কড়া ব্যবস্থার ইঙ্গিত

নিও (সুইজারল্যান্ড) : ইউরোপিয়ান সুপার লিগ নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেবে ফিফা। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের নিও শহরে উয়েফা কংগ্রেসে একথা জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এর আগে ক্লাবগুলি ও তাদের ফুটবলারদের নিষিদ্ধ করার পক্ষে সওয়াল করেছেন উয়েফা কর্তা আলেকজান্ডার সেরেফিন।

ইএসএল আয়োজনের মাধ্যমে ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালির সবচেয়ে বড় ১২টি ক্লাব উয়েফার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। যদিও এই বিদ্রোহ কড়া হাতে দমন করা হবে বলে বার্তা দিয়েছেন ইনফান্তিনো। তিনি বলেছেন, ফিফা এমন লিগ আয়োজনের পরিকল্পনাকে মান্যতা দেয় না। এমন সিদ্ধান্ত ফিফা, উয়েফা, জাতীয় ফুটবল সংস্থা, জাতীয় লিগের মতো বর্তমান ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়াকে বোঝায়। ইউরোপের বর্তমান ক্রীড়া কাঠামোকে রক্ষা করা ফিফার কর্তব্য। ফলে কেউ যদি নিজের ইচ্ছে মতো কাজ করতে চায়, তবে তাকে সেই কাজের ফল ভুগতে হবে।

- Advertisement -

ইউরোপিয়ান সুপার লিগের প্রতিষ্ঠাতা-আয়োজক লিভারপুল, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি, আর্সেনাল, টটেনহ্যাম, ম্যাঞ্চেস্টার সিটি, রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, জুভেন্তাস, এসি মিলান ও ইন্টার মিলান। এছাড়া ইউরোপের আরও কয়েকটি ক্লাব এই প্রতিযোগিতায় যোগ দেবে আয়োজকদের দাবি। যদিও ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, প্রত্যেক ক্লাবকে স্পষ্ট করতে হবে তারা কোন দিকে আছে। অন্য ক্লাবগুলির প্রতি তাঁর বার্তা, তোমরা হয় আমাদের সঙ্গে আছ, অথবা নেই। এর মাঝামাঝি কোনও পথ নেই। সকলেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানাতে হবে।

অন্যদিকে, সোমবার রাতের এক জরুরি বৈঠকের শেষে সেফেরিন বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে আইনজীবীদের পরামর্শ নিচ্ছি। আমি চাই, যত দ্রুত সম্ভব ওই ক্লাবগুলি ও তাদের খেলোয়াড়দের আমাদের সমস্ত প্রতিযোগিতায় নিষিদ্ধ করা হোক। উয়েফা সহ গোট ফুটবল বিশ্ব এমন লোভী এবং অবমাননাকর পরিকল্পনা বিরোধিতা করছে। আমরা সকলে ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ধারণার বিরুদ্ধে। উয়েফা ও ফিফার নিষেধাজ্ঞা এড়ানো নিয়ে আইনি রাস্তা খতিয়ে দেখছেন ইএসএল আয়োজকরাও।