অভিভাবক বিজেপি সমর্থক! পাঁচ ছাত্রীর কন্যাশ্রীর শংসাপত্র আটকে দেওয়ায় অভিযুক্ত প্রধান

302

বর্ধমান: পরিবারের সদস্যরা বিজেপি করায় পাঁচ কন্যাশ্রীর শংসাপত্র আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রামপঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার ভাতার ব্লকের বিডিওর দ্বারস্থ হয় পাঁচ ছাত্রী। যদিও পঞ্চায়েত প্রধান সমস্ত অভিযোগ অসত্য বলে দাবি করেছেন।

ভাতারের আমারুন গ্রামে বাস মৌসুমী মালিক, সুচিত্রা দাস, ঋত্বিকা সরকার, কুসুম সরকার ও পল্লবী ঘোষের।তাঁরা সকলেই ভাতারের আমারুন স্টেশন শিক্ষানিকেতনের ছাত্রী। কেউ দশম, কেউ একাদশ বা দ্বাদশ শ্রেণিতে পাঠরত। অভিযোগ, ’কন্যাশ্রী প্রকল্পের’ আবেদনপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ’পারিবারিক আয়’ এবং আবেদনকারী যে ’অবিবাহিতা’ সেই সংক্রান্ত শংসাপত্র দিতে নারাজ স্থানীয় প্রধান। ছাত্রীদের দাবি তাঁদের অভিভাবকরা বিধানসভা নির্বাচনের সময়কালে বিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন। আর তাই প্রধান তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছেন।

- Advertisement -

অভিযোগ অস্বীকার করে আমারুন-১ পঞ্চায়েত প্রধান দীপক ভট্টাচার্য্যের দাবি, কন্যাশ্রী প্রকল্পের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নেই বলে ওই ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন। তবুও সকল ছাত্রীর অভিভাবকদের পঞ্চায়েত অফিসে দেখা করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কেউ আসেননি। এলেই শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হবে।’

জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, ‘এরকম হওয়ার কথা নয়। খোঁজ খবর দেখছি। যদি ঘটনা সত্যি হয়, তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’