ভোটে সাবিনা ইয়াসমিনের বিরোধীতা করায় বহিস্কৃত ৫ তৃণমূল নেতা

113

মোথাবাড়ি: সাবিনা বিরোধী ৫ তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিল কালিয়াচক-২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বহিষ্কৃতদের তালিকায় রয়েছেন ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি টিঙ্কু রহমান বিশ্বাস, প্রাক্তন জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষ দ্বিজেন্দ্রনাথ মণ্ডল, জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ চম্পা মণ্ডল, গঙ্গাপ্রসাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আমিনুল ইসলাম এবং হামিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জারিকা বিবি। আজ মঙ্গলবার ব্লক কমিটির সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই পাঁচজনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত জেলা সম্পাদিকা মৌসুম নুর এবং মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকেও জানানো হয়েছে। এবিষয়ে আগামীতে জেলা কমিটির বৈঠকে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। অন্যদিকে বহিস্কৃত নেতারা অবশ্য ব্লক কমিটির সিদ্ধান্তকে অবৈধ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক বলে ব্যাখ্যা করেছেন।

কালিয়াচক-২ নম্বর ব্লকের ব্লক সভাপতি সুধীরচন্দ্র দাস জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন থেকে এই নেতারা দলের বিরোধীতা করে চলেছেন, বিগত নির্বাচনে এই সকল নেতা সাবিনার বিরোধিতা করেছেন। আমাদের কাছে প্রমান আছে এই সমস্ত নেতারা নির্বাচনে সাবিনাকে হারাবার জন্য ভোটারদের মধ্যে হাজার হাজার টাকা বিলি করেছেন। সেক্ষেত্রে ব্লক কমিটির সদস্যরাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

- Advertisement -

যদিও বহিস্কৃত তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, ব্লক কমিটির কোনও এক্তিয়ার নেই এধরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের। ঘটনাটি সাবিনাপন্থী তৃণমূল নেতাদের রাজনৈতিক আক্রোশ বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাদের অভিযোগ, কমিটির সকল সদস্যদের এই সভায় ডাকা হয়নি। এবিষয়ে বহিস্কৃত টিংকু রহমান বিশ্বাস বলেন, ‘তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই আমরা দলটা করি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমাদের সংঘবদ্ধ লড়াইয়ে তৃণমূল শক্তিশালী হয়। গত নির্বাচনে আমি কোনও বিরোধিতা করেছি তার প্রমাণও কেউ দিতে পারবে না। আমার এলাকায় আমার বুথ সহ সব বুথেই আমাদেরই লিড রয়েছে। যেহেতু বিধানসভার প্রার্থী হিসাবে আমার নাম উঠে এসেছিল। আমি প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। তাই ভোট মিটতেই প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছি।’