ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা

111

আসানসোল: গত চারদিন ধরে চলছে বৃষ্টি। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে একবারে বেহাল আসানসোল শহর সহ শিল্পাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা। তারমধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আসানসোল পুরনিগমের রেলপার এলাকার ৬টি ওয়ার্ড। রেলপারের ২৩ থেকে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেশিরভাগটাই জলের তলায় চলে গিয়েছে। নুনিয়া ও গাড়ুই নদীর পাশে থাকা এলাকা সব জলের তলায় চলে গিয়েছে। এইসব এলাকার একতলা যেসব বাড়ি আছে সেগুলির অনেকটাই অংশ জলে ডুবে যায়। শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে এলাকায় আসেন আসানসোল পুরনিগমের পুরপ্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়।

জানা গিয়েছে, টানা বৃষ্টির জেরে গাড়ুই নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়ে এই বিপত্তি ঘটেছে। একাধিক বাড়ি জলের তলায় চলে যাওয়ায় সম্যসায় পড়েছে স্থানীয় মানুষেরা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে আসানসোলজুড়ে টানা বৃষ্টি শুরু হয়। পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের তরফেও এলকায় নজরদারি করা হচ্ছে। রেলপারের রামকৃষ্ণ ডাঙ্গাল এলাকায় জেলা প্রশাসনের তরফে স্পিড বোর্ড নিয়ে নদীতে নামে উদ্ধারকারী দল। গত চারদিনের বৃষ্টি হওয়ায় এদিন সকালে ডিভিসি কর্তৃপক্ষ মাইথনের তিনটি জলের গেট খুলে দেয়। মোট সাড়ে আট হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয় মাইথন থেকে।

- Advertisement -

আসানসোলের সালানপুর এলাকায় জল নিকাশি ব্যবস্থা তেমন না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন অনেকে। বৃষ্টির জল ঢুকেছে বিভিন্ন বাড়িতে। জলের তলায় রাস্তা চলে যাওয়ায় চলাচল মুশকিল হয়ে পড়েছে। কল্যাণেশ্বরী মাইথন পর্যটন কেন্দ্রের মধ্যে থাকা রিসর্টের প্রথম ফ্লোর সহ পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি জলে ডুবে যায়। তারই জেরে মাথায় হাত পড়েছে হোটেল মালিকদের। নর্দমার অভাবে এই জল হোটেল সহ বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকছে বলে দাবি করেন অনেকেই।

জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টি হচ্ছে। এরফলে আসানসোলের রেলপারের এলাকায় জল জমেছে। বাড়ি ভেঙে পড়া বা হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আসানসোল পুরনিগম এলাকায় কাজ চলছে। অন্য জায়গায় ব্লক প্রশাসন দেখছে।