খবরের জের, ভাঙা রাস্তা পরিদর্শন করলেন রেজিনা পারভিন

39

গাজোল: উত্তরবঙ্গ সংবাদে প্রকাশিত খবরের জের। বুধবার ভেঙে যাওয়া রাস্তা পরিদর্শন করেন গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন। ইতিমধ্যেই মাটি ফেলে ওই রাস্তাটি চলাচল যোগ্য করার প্রয়াস শুরু হয়েছে। আগামীদিনের সমস্যা সমাধানের জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে তা নিয়ে জেলা পরিষদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন সভাপতি।

প্রবল বর্ষণের জেরে হঠাৎ করেই জলস্তর বেড়ে যায় সিঁদুর মুছি খাঁড়ির। জলের প্রবল চাপে ভেঙে যায় একটি কালভার্টের গার্ডওয়াল সহ দুই দিকের রাস্তা। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা। জলে ডুবে যায় প্রায় হাজার বিঘা বোরো ধানের জমি। ঘটনায় চরম অসুবিধার মধ্যে পড়েন ওই সমস্ত এলাকার বাসিন্দা সহ কৃষকেরা। বিষয়টি নিয়ে উত্তরবঙ্গ সংবাদে একটি প্রতিবেদন পেশ হয়। এরপরই এদিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন। গোটা এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি কথা বলেন এলাকাবাসী এবং কৃষকদের সঙ্গে। তবে, এই মুহূর্তে রাস্তার যা অবস্থা তাতে কংক্রিটের কাজ সম্ভব নয়। সেই কারণে আপাতত মাটি দিয়ে দু’দিকের রাস্তা ভরাট করে কোনরকমে চলাচল যোগ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

- Advertisement -

রেজিনা পারভিন জানান, কালভার্টটির রাস্তা জলের তোড়ে সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বহু মানুষ। বেশ কিছু জমি জলের তলায় চলে গেলেও একটু উঁচু এলাকায় যে সমস্ত জমি রয়েছে সেগুলোর ধান কাটা হয়েছে। কিন্তু রাস্তা ভেঙে যাওয়ার জন্য বাড়িতে ধান আনতে পারছেন না কৃষকেরা। তাই আপাতত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মাটি ভরাট করে রাস্তা দিয়ে চলাচল যোগ্য করার চেষ্টা করা হবে। যাতে জমি থেকে কৃষকরা ধান বাড়িতে নিয়ে আসতে পারেন। পাশাপাশি দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাও কিছুটা স্বাভাবিক হবে। এই কাজটি পঞ্চায়েত সমিতির তরফে করা হবে। তবে, এই রাস্তাটি যেহেতু প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা রাস্তা তাই সম্পূর্ণ রাস্তা মেরামত করার জন্য জেলা পরিষদকে জানানো হবে। তবে, বর্ষার মৌসুমে সম্পূর্ণভাবে কাজ করা হয়তো সম্ভব হবে না।