হোটেলে খাবারের আকাল, অভুক্ত মনোনয়নে আসা দলীয় কর্মীরা

92

রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ শহরের আনাচে-কানাচে উপচে পড়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ভিড়। বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় মানুষের ঢল ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু শহরের হোটেল বা ছোট ছোট ধাবা গুলিতে এত খদ্দেরের জন্য খাবারের যোগানই ছিল না। ফলে প্রার্থীর সঙ্গে শহরে আসা প্রায় অনেকেই অভুক্ত থাকতে হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার আগে পর্যন্ত রায়গঞ্জ শহরের ফুটপাতের খাবারের হোটেল বা জাতীয় সড়ক লাগোয়া ধাবাগুলিতে খদ্দেরের অভাবে মাছি তাড়ানোর অবস্থা ছিল। সেসব হোটেলেও এদিন খাবারের আকাল দেখা দিয়েছে। সেই হোটেলগুলির সামনে লম্বা লাইন, রীতিমতো চড়া দাম মিটিয়ে অগ্রিম কুপন নিয়ে খাবারের অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর কেউ খাবার পেয়েছে আবার কেউ অভুক্ত হয়ে ফিরে গিয়েছেন।

- Advertisement -

হোটেল মালিকদের বক্তব্য, বহুদিন পর তাঁদের দোকানের জোয়ার এসেছে। করোনার জেরে প্রায় দশ মাস হোটেলগুলির সেভাবে ব্যবসা ছিল না। বিধানসভা নির্বাচনে নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর এই প্রার্থীদের সঙ্গে আসা কর্মী সমর্থকরা সেই হোটেলে ভিড় জমান।

এক হোটেল মালিক শংকর ঘোষ বলেন, ‘প্রতিদিন ১০০-১৫০ জনের রান্না করা হয়। এদিন প্রায় দশ হাজার লোক হাজির হয়। তিন দিন ধরে খাবারের জন্য এত মানুষের ভিড় সামাল দিতে পারছি না। কুপন দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করেছি। অনেকে খাবার না পেয়ে ফিরে গিয়েছেন।‘

করণদীঘির তৃণমূলের এক কর্মী প্রদীপ কুমার সিংহ বলেন, ‘প্রার্থীদের তরফে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু হোটেলে খাবার না পেয়ে অগত্যা বাড়ি ফিরতে হলো। যদিও খাওয়া বাবদ ৩০০ টাকা পেয়েছি।‘