ভ্য়াকসিন দিতে ব্য়বসায়ীদের তালিকা তৈরি করছে গ্রাম পঞ্চায়েত

49
প্রতীকী

ধূপগুড়ি, ২০ মেঃ সংবাদপত্র বিক্রেতা থেকে শুরু করে সবজি বিক্রেতা, গালামাল ব্যবসায়ীদের করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য তালিকা তৈরির নির্দেশ দিল ব্লক প্রশাসন। গত ১৯মে ধূপগুড়ির বিডিও শঙ্খদীপ দাস ওই তালিকা তৈরির জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশ পেয়ে ইতিমধ্যেই গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। ধূপগুড়ির বিডিও শঙ্খদীপ দাস বলেন, তালিকা হাতে পৌঁছালেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি প্রচুর মানুষ করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য সরব হয়েছিলেন। এবারে তাঁদের সেই আশা পূরণ শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে দাবি করা হয়েছে।

নির্দেশ অনুযায়ী, হকার, সংবাদপত্র বিক্রেতা, মুদি দোকানদার, সবজি বিক্রেতা, মাছ বিক্রেতাদের তালিকা তৈরি করা হবে। এরমধ্যে কিছু গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ নাম নথিভূক্ত করার জন্য, ব্য়বসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দোকানদারদের ক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে দেওয়া লাইসেন্স থাকলেই, সেই ব্য়বসায়ীর নাম নথিভূক্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, অভিযোগ অনেক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেই ট্রেড লাইসেন্স না নিয়ে অনেকে ব্যবসা করছেন। সেক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সহীন ব্য়বসায়ীদের নাম তালিকাভুক্ত করা হবে না বলেও জানিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ।

- Advertisement -

অপরদিকে, গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ধর্ম নারায়ন রায় বলেন, তালিকা তৈরি করতে হবে বলে নির্দেশ এসেছে। সেই অনুযায়ী কাজও শুরু করা হয়েছে। তবে, যেসব ব্যবসার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, সেই ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স থাকলে, তবেই নাম নথিভূক্ত করা হবে। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’টি ধাপে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এরমধ্যে একটি ধাপে ১৮ থেকে ৪৪ বছর এবং অপর ধাপে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে যারা রয়েছেন, তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটের ক্ষমতায় আসার পর ধূপগুড়ি ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ট্রেড লাইসেন্স সহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছিল। অনেক ব্যবসায়ী রাজস্ব দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স তৈরিও করিয়েছিলেন। কিন্তু, অভিযোগ ব্যবসায়ীদের একাংশ আজও ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই দেদার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চলেছন। সেই কারণেই কী ভ্য়াকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স থাকা আবশ্য়িক করা হল কিনা তা অবশ্য় জানা যায়নি। ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্য়বসা করছেন এমন ব্য়বসায়ীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। ভাইরাসের সংক্রমণ তাঁদের থেকেও ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এই নির্দেশের বদল করা হয় কিনা, সেদিকেই তাঁকিয়ে ব্য়বসায়ীদের একটা অংশ।