কাঠ পাচার রুখতে বনকর্মীদের ভরসা এসএসবি

164

বীরপাড়া: কাঠ পাচার রুখতে আলিপুরদুয়ার জেলার দলগাঁও রেঞ্জের বনকর্মীদের ভরসা এসএসবির জওয়ানরা। স্মার্টফোনের যুগেও বনকর্মীদের হাতে রয়েছে মান্ধাতা আমলের অস্ত্র। তাই তাঁদের পাত্তাই দিতে চায় না কাঠ মাফিয়ারা। উলটে বাড়াবাড়ি করলে বনকর্মীদের দিকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তেড়ে যায় তারা। সেকারণে ভুটান সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে এসএসবি জওয়ানদের ছাড়া অভিযানে যেতে সাহস পান না বনকর্মীরা। মাঝে মধ্যে সঙ্গে পুলিশ থাকে। কিন্তু পুলিশ অফিসারদের প্রভাবিত করতে অনেক সময় এগিয়ে আসেন রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকা লোকাল দাদারা। দাদাদের জারিজুরি একমাত্র খাটে না হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র থাকা এসএসবি জওয়ানদের সামনে। তাই মাকরাপাড়া, বান্দাপানি এলাকায় কাঠ বাজেয়াপ্ত করতে গেলে বনকর্মীরা এসএসবি জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে যান। আবার অনেক সময় এসএসবির তরফে কাঠ পাচার সম্পর্কে বনদপ্তরে আগাম খবর দেওয়া হয়। অবশ্য বনদপ্তরের দলগাঁও রেঞ্জের বক্তব্য, মাঝে মধ্যে এসএসবি জওয়ানদের সহযোগিতা নেওয়া হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বনকর্মীরাই অভিযান চালান।

বুধবারও মাকরাপাড়া এলাকায় হানা দিয়ে ৫১ সিএফটি সেগুন গাছের গুঁড়ি বাজেয়াপ্ত করেন বনদপ্তরের দলগাঁও রেঞ্জের বান্দাপানি বিট ও এসএসবি ফালাকাটার ১৭ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। এসএসবির ফালাকাটার কমান্ডান্ট ঋষিকেশ শ্রীবাস্তব জানান, প্রায় দেড় লক্ষ টাকার সেগুন গাছের গুঁড়ি উদ্ধার হয়েছে।

- Advertisement -

দলগাঁও রেঞ্জ সূত্রের খবর, রেঞ্জের অধীন কমবেশি ৫০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য প্রায় ৩০ জন কর্মী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই বয়স্ক। তাই কাঠ মাফিয়াদের মোকাবিলা করতে এসএসবি অথবা পুলিশের সাহায্য নিতে হয় বনকর্মীদের।