মেয়ে পাচার রোধে ভিজিল্যান্স কমিটি গঠন চা বলয়ে

63

ক্রান্তি: নিউ-নর্মাল পর্বেও চা বলয়ে উত্তরোত্তর মেয়ে পাচারের ঘটনা ঘটে চলেছে বলেই অভিযোগ উঠছে। সেক্ষেত্রে এবার সচেতনতা বৃদ্ধিতে লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করল উইমেন্স ইন্টারলিঙ্ক ফাউন্ডেশন। সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভিজিল্যান্স কমিটি গঠন করা হল মাল ব্লকের যোগেশচন্দ্র চা বাগান এলাকায়।

মেয়ে পাচার রোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উইমেন্স ইন্টারলিঙ্ক ফাউন্ডেশন। বিশেষ করে সচেতনতা বৃদ্ধি করে তোলাই মূল লক্ষ্য এই ফাউন্ডেশনের সদস্যদের। এদিনও একই পন্থায় সচেতনতা শিবির আয়োজন করা হয় চা বলয়ের বাসিন্দাদের নিয়ে। তবে শুধু পাচার রোধ নয়, বাল্য বিবাহ রোধেও বিশেষ সচাতনতা বৃদ্ধির কাজ চালানো হয় এদিন। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডাশনের জলপাইগুড়ি শাখার প্রজেক্ট ডিরেক্টর শিখা মিত্র মজুমদার, সোমাশ্রী দে, সুদীপা সাহা, বাগানের ম্যানেজার শৈলেশচন্দ্র রাই, চ্যাংমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মুক্তি সোরেন সহ আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীও।

- Advertisement -

এবিষয়ে ফাউন্ডেশনের জলপাইগুড়ি শাখার প্রোজেক্ট ডিরেক্টর শিখা মিত্র মজুমদার জানান, মেয়ে পাচারের ঘটনা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। পাচার বন্ধের জন্য চা বাগান সহ বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় গিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় শিবির করা হচ্ছে নিয়মিত। উদ্দেশ্য সফল করার লক্ষ্যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষদের নিয়ে ভিজিল্যান্স কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটি গঠনের কাজ আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে। এদিন এখানেও একটি ভিজিল্যান্স কমিটি গঠন করা হয়।

উপপ্রধান মুক্তি সোরেন জানান, এদিন যোগেশচন্দ্র চা বাগানে ভিজিল্যান্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে চা বাগানের মাদারর্স ক্লাবের সদস্যা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও আশাকর্মীদের রাখা হয়েছে। মেয়ে পাচার প্রতিরোধে তাঁরা অংশ নেবেন।