এরিকসেনের হৃদযন্ত্রে কোনও সমস্যা ছিল না

কোপেনহেগেন : হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও এখন অনেকটাই সুস্থ ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। এমনকি সতীর্থদের মেসেজ করে আশ্বস্তও করেছেন। রবিবার সকালে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ড্যানিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। অন্যদিকে, টটেনহ্যামে থাকার সময় তাঁর হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা ছিল বলে জানিয়েছেন ক্লাবের প্রাক্তন কার্ডিওলজিস্ট।

২০১৩ সাল থেকে প্রায় ৭ বছর ক্লাবের ফুটবলার হিসেবে এরিকসেনকে টটেনহ্যামের প্রাক্তন চিকিৎসক অধ্যাপক সঞ্জয় শর্মা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। তাঁর কথায়, সই করার পর থেকে ও আমাদের নজরদারীতেই ছিল। ২০১৯ পর্যন্ত আমরা ওর যত পরীক্ষা করেছি, সবকিছুর রিপোর্টই স্বাভাবিক ছিল। প্রতি বছর এই টেস্টগুলি হয়েছে। আমি নিজে পরীক্ষা করেছি। মাঠে সিপিআর দেওয়ায় এরিকসেন এযাত্রায় বেঁচে গেলেন, মত সঞ্জয়ের। বললেন, মাটি পড়ে যাওয়া থেকে হৃদযন্ত্র ফের কার্যকর হওয়ার মাঝের সময়কে আমরা বলি ডাউনটাইম। এটা যত বেশি হবে, তত ঝুঁকি বাড়বে। ফলে যদি দ্রুত ও ভালোভাবে সিপিআর না দেওয়া হয়, মানুষের বাঁচার সম্ভাবনা ৭ শতাংশে নেমে যায়। বয়স কম হওয়া এবং নিয়মিত অনুশীলন করার সুবাদে এরিকসেন এই ধাক্কা সামলে নিতে পেরেছে বলেও মনে করছেন তিনি।

- Advertisement -

এরিকসন মাঠে লুটিয়ে পড়ার দৃশ্যে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন সঞ্জয়। তিনি বলেন, আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। বারবার মনে হচ্ছিল, আমরা কি কিছু উপেক্ষা করে গিয়েছি? তাই দ্রুত সব টেস্টের রিপোর্ট খতিয়ে দেখি। অন্যদিকে, শনিবার মাঠে এরিকসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া ডা: মার্টিন বোইসেন বলেন, আমারা গিয়ে দেখি ক্রিশ্চিয়ান মাটিতে পড়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছিল ওর জ্ঞান নেই। তখনও ও শ্বাস নিচ্ছিল, পালস বোঝা যাচ্ছিন। তবে দ্রুত অবস্থার বদল হওয়ায় আমরা সিপিআর দেওয়া শুরু করি। মেডিকেল টিমের তরফেও দ্রুত কাজ শুরু করা হয়। সকলের তৎপরতায় আমরা ক্রিশ্চিয়ানকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। রাতেই হাসপাতাল থেকে এরিকসন সতীর্থদের আমি সুস্থ আছি বলে বার্তা পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।