পুরোনো দ্রে রাসকে দেখতে চান ডিকে

চেন্নাই : ১১ এপ্রিল চতুর্দশ আইপিএল অভিযান শুরু নাইটদের।

প্রতিপক্ষ ডেভিড ওয়ার্নারের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বেয়ারস্টো-ওয়ার্নারদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জবাব দিতে নাইটদের সেরা বাজি নিঃসন্দেহে আন্দ্রে রাসেল। এখন প্রশ্ন দ্রে রাস তৈরি তো? ২০২০-র আইপিএলে সুপার ফ্লপ রাসেল ফের ব্যর্থ হলে নাইটদের অনেক অঙ্ক গুলিয়ে যাবে। দীনেশ কার্তিকরা অবশ্য ক্যারিবিয়ান সতীর্থকে নিয়ে আশাবাদী, ২০১৯-এর বিধ্বংসী ফর্মেই এবার আসর মাতাবেন আন্দ্রে রাসেল।

- Advertisement -

২ বছর আগের রাসেল-ঝড়ের স্মৃতি রোমন্থনে আরসিবি ম্যাচে ১৩ বলে রাসেলের ৪৮ রানের ইনিংসের কথাই তুলে ধরলেন ডিকে। কার্তিক বলেন, কেরিয়ারের সেরা ব্যাটিংটা বোধহয় ওই বছরই করেছিল রাসেল। বেশ কিছু ম্যাচ তো একাই জেতায়। আরসিবি ম্যাচটাই ধরুন। স্টোয়নিসকে যেভাবে মারছিল, অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। রেহাই পায়নি টিম সাউদিও। ১০-১১ বলের মধ্যেই ৫-৬টা ছক্কা মেরে ম্যাচের রং বদলে দেয়।

এদিকে কোভিড ধাক্কা সামলে প্র‌্যাকটিসে নেমে পড়লেন নীতীশ রানা। নাইট রাইডার্সের তরফে জানানো হয়েছে, পরপর দুটি করোনা টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন নীতীশ। করোনা-মুক্ত নীতীশ অন্য একটি ভিডিও বার্তায় আবার সমর্থকদের করোনা নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যেখানে তিনি বলেছেন, সবাইকে বলছি করোনাকে হালকাভাবে নেবেন না। কারণ কেউ জানে না, আগামী দিনে কী ঘটবে। তাই নিজের খেয়াল রাখুন। সাবধানে থাকুন। পরিবারের প্রতি নজর দিন।

নিজের করোনা আক্রান্তের ঘটনাও তুলে ধরেন নাইটদের তারকা ব্যাটসম্যান, মুম্বই আসার আগে সবার কোভিড টেস্ট বাধ্যতামূলক ছিল। আমিও করেছিলাম। রিপোর্ট নেগেটিভ হয় এবং মুম্বইয়ে টিম হোটেলে উঠি। ওইদিন দলের সঙ্গে ওয়ার্কআউট সেশনও করি। কোয়ারান্টিনের প্রথম দিনে করোনা টেস্টও হয়। কোনওরকম উপসর্গ ছিল না। ভাবিনি রিপোর্ট পজিটিভ হবে। ১১ ও ১২ দিন, পরপর দুটি রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আপাতত মুক্ত। হোটেল থেকে অবশেষে বেরোলাম। প্র‌্যাকটিসে প্রথম দিন কিছুক্ষণ ব্যাটিং করে ভালো লাগছে বলে জানান তিনি।