OLYMPUS DIGITAL CAMERA

নিউজ ব্যুরো, ১৬ মেঃ আনন্দ বদলে গেল বিষাদে। ২০১৪ সালের পর প্রথম কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করেছিলেন চার বাঙালি। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। শৃঙ্গ জয়ের পরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
বুধবার সকালে বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার শীর্ষে ওঠেন চার বাঙালি অভিযাত্রী বিপ্লব বৈদ‍্য, রমেশ রায়, রুদ্রপ্রসাদ হালদার এবং শেখ সাহাবুদ্দিন। নেপালের পর্বতারোহণ সংস্থা ‘পিক প্রোমোশন’ থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, পঞ্চম অভিযাত্রী, হাওড়ার কুন্তল কাঁড়ার অসুস্থ হয়ে পড়ায় শীর্ষে উঠতে পারেননি। পর্বতশৃঙ্গে পা রেখেছিলেন চার জনই। বুধবার দুপুরের পর খবর আসে গুরুতর অসুস্থ গয়ে পড়েছেন বিপ্লব ও কুন্তল। দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়ার ফলেই এই অসুস্থতা এছাড়া রুদ্রপ্রসাদ ও রমেশ স্নো ব্লাইন্ডনেস ও তুষারক্ষতে আক্রান্ত। চারজনকে ক্যাম্প-৪ এ নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু বুধবার রাত পর্যন্ত সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ক্যাম্প-৪ থেকে ক্যাম্প-২এ নামিয়ে আনার পর তাঁদের হেলিকপ্টারে নামিয়ে আনা সম্ভব হত। বৃহস্পতিবার সকালে ‘পিক প্রোমোশন’ থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, চারজনই গুরুতর অসুস্থ, তাঁদের নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।সোনারপুর আরোহী ক্লাবের বিপ্লব বৈদ্য ও রুদ্রপ্রসাদ হালদার, হৃদয়পুরের বাসিন্দা এবং মাউন্টেন কোয়েস্ট ক্লাবের সদস্য রমেশ রায়, ইছাপুরের শেখ সাহাবুদ্দিন ও হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের কুন্তল কাঁড়ার এপ্রিল মাসের চার তারিখে রওনা দিয়েছিলেন কাঞ্চনজঙ্ঘা জয়ের জন্য। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ফণি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য তাঁদের শৃঙ্গজয় পিছিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত,২০১৪ সালের ২০ মে কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে গিয়েই দুই শেরপার সঙ্গে চিরতরে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন হাওড়ার কোনার মেয়ে ছন্দা গায়েন। তারপর থেকে আর কোনো বাঙালি অভিযাত্রী কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করেননি। আবারও সেই মে মাস বাঙালি অভিযাত্রীদের কাছে দুঃস্বপ্ন হয়ে ফিরে এল।

ছবি প্রতীকী