চার মাস পর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার বিতরণ, বিক্ষোভ অভিভাবকদের

123

হরিশ্চন্দ্রপুর: করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনের মধ্যে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় ফেব্রুয়ারি মাসের অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের  বরাদ্দ শিশুদের খাবার দেওয়া হচ্ছে জুন মাসে। বাকি চার মাসের খাবার কেন নেই এই প্রশ্ন তুলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক এলাকার বিতল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। শুক্রবার খাবার বিলি করতে এসে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীকে অভিভাবকদের রোষের মুখে পড়তে হয়। যদিও শিশু কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিকদের বক্তব্য, প্রতি মাসেই বরাদ্দ দেরি করে পৌঁছোচ্ছে সে কারণেই এখন ফেব্রুয়ারি মাসের বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ধীরে ধীরে বাকি চার মাসের খাবার দিয়ে দেওয়া হবে। ঘণ্টা দুয়েক বিক্ষোভ দেখানোর পর আইসিডিএস কর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এক অভিভাবক রেশমা খাতুন বলেন, ‘আমরা শিশুদের তিন মাসের খাওয়ার নিতে এসেছি। কিন্তু দিচ্ছে এক মাসের। দিদিমনিরা বলছে এটা ফেব্রুয়ারি মাসের খাওয়ার এসেছে। এখন জুন মাস চলছে। তাহলে বাকি মাসগুলো কোথায় গেল? আমরা সম্পূর্ণ খাওয়ার নিয়েই যাব।‘ অন্য এক অভিভাবক সারেগা বেগম বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী আমাদের দিচ্ছেন। আমরা আমাদের অধিকার ছাড়ব না। আমাদেরকে তিন মাসের খাওয়ার দিতেই হবে।‘

- Advertisement -

অঙ্গনওয়াড়ির শিক্ষিকা সুমি দাস বলেন, ‘আইসিডিএস সেন্টার থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের খাওয়ার এসেছে। আজ তাই সেটাই দিচ্ছি। অভিভাবকদের দাবি বাকি তিন মাসের দিতে হবে। কিন্তু আমার কাছে এক মাসেরই এসেছে। সুপারভাইজারকে এই বিষয়ে জানিয়েছি।‘

আইসিডিএস সুপারভাইজার রুমি মণ্ডল বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসের খাওয়ার ঢুকেছে সেটা দেওয়া হচ্ছে। বাকি যে মাসগুলি রয়েছে সব আসবে। যেভাবে খাবার আসছে সেভাবেই দেওয়া হচ্ছে।‘

জেলা পরিষদের শিশু নারী ও ত্রাণ কর্মদক্ষ মর্জিনা খাতুন জানান, খোঁজ নিয়ে দেখছি কি সমস্যা হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যার সমাধান করা হবে।

হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের সিডিপিও অনুপ সরকার বলেন, ‘তিন মাস নয় চার মাসের বাকি রয়েছে। ডিপার্টমেন্ট থেকে জানুয়ারি মাসে চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অঙ্গনওয়াড়িতে দেওয়া হয়েছিল। এগুলি পৃথকভাবে আবার অর্ডার করা হচ্ছে। প্রত্যেকেই পাবে।‘