নদী ভাঙনে তলিয়ে যাওয়ার মুখে চারটি প্রাথমিক স্কুল

136

রায়গঞ্জ: নদী ভাঙনে তলিয়ে যাওয়ার মুখে চারটি প্রাথমিক স্কুল। নাগর নদীর জল ঢুকে পড়ছে স্কুলঘরে। রায়গঞ্জ শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ছোট ভিটিয়ার, নয়াটুলি, দুবদুয়ার ও রহমতপুর প্রাথমিক স্কুল। রায়গঞ্জ ব্লকের ৯ নম্বর গৌরী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ওই স্কুলগুলি অবস্থিত। প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হাঁটু পর্যন্ত কাদায়। দুবদুয়ারের প্রধান শিক্ষক শ্রীনাথ দাস জানান, প্রত্যেকবার বর্ষার সময় স্কুলঘরে নদীর জল ঢুকে যায় বলে প্রায় একমাস ক্লাস করা যায় না। ফলে চরম দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় পড়ুয়া থেকে শিক্ষকদের। নয়াটুলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুন দাসের বক্তব্য, নিরাপদ জায়গায় স্কুলঘর তৈরির জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু উপযুক্ত জায়গা পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, ১৯২ জন ছাত্রছাত্রীর মিড-ডে মিল তৈরির জন্য রান্নাঘর নেই। নদীর ধারে একফালি জায়গায় বাচ্চাদের খাবার তৈরি হচ্ছে। স্কুলে পাঁচজন স্থায়ী ও দু’জন পার্শ্বশিক্ষক রয়েছেন। পর্যাপ্ত জমির অভাবে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে স্কুল পড়ুয়ারা। নয়াটুলির ওপারে দুবদুয়ার গ্রাম। দুই গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে নাগর নদী। নয়াটুলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, নদী ভাঙনে তলিয়ে যাওয়ার মুখে স্কুল। প্রতি মাসে এই কথা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(প্রাথমিক)কে বলা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্কুলে দু’জন স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন। এই বিষয়ের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।