নদীর জল আটকে অবাধে মৎস্য শিকার, বিডিওর দ্বারস্থ স্থানীয়রা

115

বুনিয়াদপুর: বংশীহারি ব্লকের টাঙ্গন নদীর জল আটকে রেখে সুতি জাল দিয়ে মৎস্য শিকার চলছে অবাধে। এতে বাঁধে ফাটল, নদীর দুই কূলে ভাঙন, কৃষি জমির ক্ষতি সহ জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে। অভিযোগ, একশ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবী দীর্ঘদিন ধরে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগের তীর বংশীহারি হালদার পাড়ার বাসিন্দা মাধব হালদারের বিরুদ্ধে। যেখানে সরকার মৎস্য বিভাগ থেকে জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষার জন্য প্রতিনিয়ত নদীগুলিতে মাছের চারা ফেলছেন। সেখানে প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অবাধে নদীর জল আটকে রেখে সুতি জালের মাধ্যমে বংশীহারি এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়খইর এলাকায় চলছে মৎস্য শিকার। ভোর হতেই মাছ চলে যায় আশেপাশে জেলার বিভিন্ন শহরে। একদিকে নদী ও পরিবেশ সুরক্ষা সমিতি নদী ভাঙন রোধ করতে ভেটিভার ঘাস রোপন করছেন। অপরদিকে অবাধে এই কাজ চলছে। ব্লক প্রশাসন এই সময় নজর রাখেন বাঁধগুলি যাতে না ভাঙে। তবে, লাভ কিছুই হয় না। নদীর সেচ প্রকল্পের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ।

বংশীহারির বিডিও সুদেষ্ণা পাল বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। এলাকাবাসী আমাকে জানিয়েছে। সুতি বসানো অন্যায়। এটি বায়ো ডাইভারসিটির বিপক্ষে। আমরা প্রশাসনের সহযোগীতায় এটিকে আটকানোর চেষ্টা করছি।‘ বংশীহারি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিনা রায় বলেন, ‘সুতি বসানোর ফলে বাঁধ ভাঙার নজির আছে।‘ বংশীহারি ব্লকের ফিশারি এক্সটেনশন অফিসার কুহেলি মণ্ডল বলেন, ‘জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে আমরা নদীতে মাছ ছাড়ি। সেখানে এভাবে ছোট মাছ নিধন অন্যায়। অভিযোগ পেয়ে আমরা প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।‘ বংশীহারি নদী ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির কনভেনার অমর পাল বলেন, ‘আমরা তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করব। এভাবে নদীর জল আটকে সুতি জাল দিয়ে মাছ ধরতে পারে না।‘

- Advertisement -

 এ বিষয়ে মাধব হালদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।