বিধায়ক কলকাতায়, স্কলারশিপের ফর্মে সই করাতে ভরসা কর্মাধ্যক্ষ

378

রাজগঞ্জ: বিধায়ককে না পেয়ে স্কলারশিপের ফর্মে সই করতে ১৫ কিলোমিটার ছুটতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। বুধবার ডাবগ্রাম ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অনেক পড়ুয়া ফুলবাড়িতে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষের বাড়িতে ভিড় করেন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়কে না পেয়ে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষের কাছে ফর্মে সই করাতে যেতে হচ্ছে। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ দেবাশিস প্রামাণিক জানান, গৌতম দেব যখন বিধায়ক ছিলেন সে সময় ডাবগ্রাম ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পড়ুয়া ও সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট তিনি দিতেন। দেবাশিসবাবু দিতেন ফুলবাড়ি ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। এখন বিজেপির বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছে। বিধায়ককে না পেয়ে সেখানকার পড়ুয়ারা তাঁর কাছে ছুটে আসছে। এই বিষয়ে বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় জানান, ভবানীপুরে উপনির্বাচন। তাই দলীয় নির্দেশে প্রায় এক সপ্তাহ হল কলকাতায় এসেছেন তিনি। ২ অক্টোবর শিলিগুড়িতে ফিরবেন।

রাজ্য সরকার হাইস্কুল ও কলেজের পড়ুয়াদের জন্য শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী সহ বিভিন্ন স্কলারশিপ চালু করেছে। সেই ফর্মে সাংসদ, বিধায়ক, জেলা পরিষদের সদস্য, জিটিএ, বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি-এর মধ্যে যে কোনও একজনের সই এবং ইনকাম সার্টিফিকেট দরকার। এদিন সই করাতে এসে পড়ুয়ারা জানান, স্কলারশিপের ফর্মে সই করানোর জন্য এলাকার বিধায়কের বাড়িতে কয়েকদিন গেলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে এতটা দূরে আসতে হচ্ছে। এতে শুধু পরিশ্রম নয়, সময়েরও অপচয় হচ্ছে।

- Advertisement -