রাঙ্গালিবাজনা, ১৯ অক্টোবর, পাশাপাশি চলল দু’টি মেলা। একটি লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক মেলা। অপরটি মদ ও জুয়ার। আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাটের দক্ষিণ খয়েরবাড়িতে চারশো মিটার ব্যবধানে দু’টি মেলাই শুরু হয় বুধবার। কালীবাড়ি মাঠে জুয়ার মেলা শেষ হয় শুক্রবার রাতে। দক্ষিণ খয়েরবাড়ি উপজাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সাংস্কৃতিক মেলা শেষ হয় শনিবার সকালে। এলাকার অনেকেরই অভিযোগ, কালীবাড়ি মাঠের জুয়ার মেলায় তিনদিনে মাদারিহাট ও ফালাকাটা ব্লকের পাঁচ ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের গাঁট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গিয়েছে জুয়ার বোর্ডের মালিকরা। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ, প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। মাদারিহাট থানার ওসি অনির্বাণ মজুমদার বলেন, ‘কালিবাড়ির মাঠে পরপর তিন রাত হানা দিয়েছিল পুলিশ। তবে, তার আগেই জুয়াড়িরা চম্পট দেয়। ওই এলাকার পাশাপাশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও পুলিশ টানা নজরদারি চালিয়েছে’। কিন্তু একটি অনুমোদিত মেলার অদূরে সমান্তরালভাবে কিভাবে আর একটি সমান্তরাল মেলা চলে? এ প্রশ্নের জবাবে মেলা কমিটির সদস্য তথা মাদারিহাট বীরপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রশিদুল আলম বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে লক্ষ্মীপুজোর মেলায় কোনো জুয়ার আসর বসতে দেওয়া হয়নি। মদও বিক্রি করতে দেওয়া হয়নি।  অন্য কোথাও যদি এ ধরনের আসর বসে তবে তার দায় আমাদের মেলা কমিটির নয়’।