দিনের পর দিন রমরমিয়ে চলছে জুয়ার আসর, নির্বিকার পুলিশ

118

রায়গঞ্জ: দিনের পর দিন রমরমিয়ে চলছে জুয়ার আসর। সব জেনেও চুপ রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এমনই অভিযোগ উঠেছে রায়গঞ্জ ব্লকে। অভিযোগ, ব্লকের মোহিনীগঞ্জ ও বিন্দোলের গ্রামগুলিতে দিনরাত চলছে জুয়া খেলা। এর পিছনে বড়সড় আর্থিক লেনদেন রয়েছে বলেই অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জেনেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ না করায় দিন দিন জুয়া খেলা বেড়ে চলছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়দের একাংশ।

মোহিনীগঞ্জের হাটের এক বাসিন্দার (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) অভিযোগ, মোহিনীগঞ্জের হাটের আশপাশের গ্রামগুলিতে দিনের আলো ফুটতে না ফুটতে জুয়া খেলা শুরু হয়ে যায়। নবীন-প্রবীণ সকলেই জুয়া খেলায় মেতে থাকেন। জুয়া খেলার নেশায় পড়ে অনেকেই সম্পত্তি বেচে দিচ্ছেন। পুলিশ সব জেনেও চুপ রয়েছে। এতে জুয়ার আসর বন্ধ করা যাচ্ছে না। এর জেরে এলাকায় থাকা দুষ্কর হয়ে উঠছে।

- Advertisement -

বিন্দোলের এক বাসিন্দার অভিযোগ, এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই জুয়া খেলা। কাজকর্ম বাদ দিয়ে এই খেলায় মেতেছেন অনেকেই। দিনের বেলা তো বটেই, রাতেও চলে এই জুয়ার আসর। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার খেলা হচ্ছে। অথচ পুলিশ জানে না।

জানা গিয়েছে, প্রতিটি হাটের দিন এবং মেলাগুলিতে ফরগুটির আসর বসে গ্রামে। স্থানীয় ভাষায় সেই জুয়া খেলা ‘ফরগুটি’ বলে পরিচিত। অবিলম্বে এই জুয়া বন্ধ না হলে গ্রামগুলি ধ্বংস হয়ে যাবে। রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য মলয় সরকার বলেন, ‘বিন্দোল ও মোহিনীগঞ্জের গ্রামগুলিতে ফরগুটি খেলার প্রচলন রয়েছে। শুধু ওই গ্রামের নয়, বাইরে থেকে যুবকরা ফরগুটি খেলায় যোগ দেন।’

রায়গঞ্জ আদালতের কৌশিক গুপ্ত নামে এক আইনজীবী জানান, মোহিনীগঞ্জ ও বিন্দোলের বিভিন্ন গামে ফরগুটি খেলা চলছে। এর জেরে যুব সমাজের খুবই ক্ষতি হচ্ছে। এলাকার মানুষ অবিলম্বে ফরগুটি খেলা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

রায়গঞ্জ থানার আইসি সুরজ থাপা বলেন, ‘অভিযোগ যখন এসেছে দেখছি বিষয়টি।’