মাদক খাইয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করানোর অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

459
প্রতীকী ছবি

রায়গঞ্জ, ২১ ডিসেম্বরঃ বন্ধুদের দিয়ে নিজের স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক প্যারামেডিকেল ছাত্রের বিরুদ্ধে। ঘটনায় রীতিমতো স্তম্ভিত ধর্ষিতার পরিবার। নার্সিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীর সঙ্গে প্যরামেডিকেল ল্যাবরেটরি টেকনোলজিস্ট কোর্সে পাঠরত ছাত্রের বিয়ে হয়। যদিও, বিয়ের পর তাঁরা দুজনেই পেশাধারী কোর্স সম্পূর্ণ করতেই ব্যস্ত ছিলেন। ছুটিতে এলে বিবাহিত স্ত্রীকে মালদা শহরের নিজের মেস বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর নিজের বন্ধু ও নিকট এক আত্মীয়কে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গণধর্ষণ করে নিজের স্ত্রীকে।

কখনও হাত পা বেধে, আবার কখনও নেশার ট্যাবলেট ও ব্রাউন সুগার খাইয়ে বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণ করানো হত বলে অভিযোগ। নেশার ট্যাবলেট ও ব্রাউন সুগার খাইয়ে, বেঁহুশ করে রাখা হয়েছিল বেশ কয়েকদিন। এই ঘটনায় মালদা জেলার পুকুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বলে ধর্ষিতার পরিবার। যদিও, ওই ঘটনায় এখনও মূল অভিযুক্ত কিংবা গণধর্ষনের ঘটনায় জড়িত কেউই গ্রেপ্তার হয়নি। ধর্ষিতার পরিবার এখন রীতিমতো দিশেহারা পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গিয়েছেন। চলতি মাসের ১৮ তারিখে ওই যুবতীকে স্বামীসহ ধর্ষকরা ইটাহারের চৌরাস্তা মোড় এলাকায় গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে বিবস্ত্র করে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

- Advertisement -

উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার থানার পুলিশ ওই যুবতীকে উদ্ধার করে। প্রথমে ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চলতি মাসের ১৯ তারিখ স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার ওই যুবতীর জ্ঞান ফিরেছে। এরপর সমস্ত ঘটনা পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছে ধর্ষিতা। মালদা জেলার পুকুরিয়া থানায় অভিযোগ জানানো হয়। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবার পরিবার জামাই, স্বামীর পিসতুতো ভাই এবং বন্ধুদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। যুবতীর শরীরে একাধিক ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।

ধর্ষিতা বলেন, আমার স্বামী সহ বাকি পাঁচজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। ওই যুবতীর মা বলেন, পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ আমাদের কাছে আছে।