দুই পক্ষের মারপিটে উত্তপ্ত গঙ্গারামপুর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার সহ গ্রেপ্তার ৪

43

গঙ্গারামপুর: থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে দুই পক্ষের মারপিটে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গঙ্গারামপুর শহর। ঘটনায় চার পুলিশ কর্মী সহ দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে এক রাউণ্ড কাতুর্জ ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। ঘটনায় বড়বাজার এলাকা বনধের চেহারা নিয়েছে। বুধবার রাতে ঘটনার সূত্রপাত। রাতের মত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে ফের উত্তেজনা ছড়ায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বড়বাজার এলাকার তৃণমূল নেতা বাবু চৌধুরীর সঙ্গে এক যুবকের গণ্ডগোল বাঁধে। অভিযোগ, সেই যুবককে মারধর করে বাবু চৌধুরী। বিষয়টি নিয়ে বড়বাজারের বাসিন্দা ওম গুপ্তা এগিয়ে এসে বাবু চৌধুরীকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর ওপরেও চড়াও হয়। ঘটনায় ওম গুপ্তার চিৎকার চ্যাঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন সেখানে যান। ঘটনাস্থলে গঙ্গারামপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী পৌঁছোয়।

- Advertisement -

অভিযোগ, বেশ কিছু লোকজন জমায়েত হয়ে থানা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রাজ্য সড়কের ধারে বাবু চৌধুরীর বাড়িতে চড়াও হয়। ইট পাটকেল নিয়ে বাবু চৌধুরীর বাড়িতে চড়াও হওয়ায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সে সময় তৃণমূল ছাত্র নেতা কৌশিক সাহা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে মারধর করে। প্রথমে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ সিভিক ভলান্টিযার ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরেও চড়াও হয়। আহত হন দুই পুলিশ কর্মী, দুই সিভিক ভলান্টিয়ার সহ বেশ কয়েকজন।

এরপর গঙ্গারামপুর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী র‍্যাফ ও সিভিক ভলান্টিয়ার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। ঘটনায় পুলিশও লাঠি চালায় বলে অভিযোগ। এদিন সাত সকালে রাজ্য সড়কের উপর এমন ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় বড়বাজার এলাকায়। মুহূর্তের মধ্যে বড়বাজার এলাকার দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনা মিটতে না মিটতে বড়বাজার এলাকার বেশ কিছু মহিলা দল বেঁধে থানায় গেলে ফের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ মুহুর্তের মধ্যে তাদের সরিয়ে দেয়। ঘটনার পর এলাকায় পরিদর্শনে যান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌতম দাস। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।