বিন্নাগুড়ি রেঞ্জ অফিস চত্বর অঘোষিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড

220

গোপাল মণ্ডল  বিন্নাগুড়ি : বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ রেঞ্জ অফিস চত্বরে এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অবাধে আবর্জনা ফেলছেন। বন্যপ্রাণ দপ্তরে ঢোকার মুখে এবং দপ্তরের ফাঁকা জায়গাগুলিতে দিনের পর দিন আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। রেঞ্জ দপ্তরে ঢোকার মুখে অনেকে শৌচকর্ম করছেন বলেও অভিযোগ। এছাড়া, অফিস চত্বরে মদের খালি বোতল ছড়িয়েছিটিয়ে পড়ে থাকছে। দিনেরবেলায় ওই অফিসে নাকে রুমাল চেপে যাতায়াত করতে হয়।  পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছে যে, রেঞ্জ অফিস চত্বর অঘোষিত ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পরিণত হয়েছে। তার ওপর আবর্জনার জন্য শুয়োরের অত্যাচারও বেড়েছে। বৃষ্টির জলে সেই নোংরা আরও ছড়িয়ে ছিটিয়ে একাকার হয়ে যায়। সবমিলিয়ে দপ্তরের ভিতরে ঢোকা দায় হয়ে পড়ে। এই নিয়ে রেঞ্জ দপ্তরের আবাসনে থাকা বনকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দীপক শ্যাম বলেন, এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড না থাকায় এই সমস্যা হচ্ছে। এর আগে অনেকবার গ্রাম পঞ্চায়েছতের তরফে বন দপ্তর চত্বরে ফেলা আবর্জনা সাফ করে দেওয়া হয়েছে। তবুও এলাকার মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে সচেতন না হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। কোনও সরকারি অফিস চত্বরে এভাবে বর্জ্য বা আবর্জনা ফেলা ঠিক নয়। আমি এই বিষয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলব।

- Advertisement -

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই বনকর্মী জানান, আগের রেঞ্জার এলাকার প্রধানকে লিখিত আকারে জানানোর পরও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এভাবে আবর্জনা ফেলছেন। এছাড়া, দপ্তরটি বিন্নাগুড়ি স্টেশন যাওয়ার রাস্তার পাশে থাকায় সেখানে যাতায়াতকারী মানুষ দিনভর গেটের ভিতরে এসে শৌচকর্ম করছেন। এক বনকর্মী বলেন, আমরা যাঁরা আবাসনে  পরিবার নিয়ে থাকি তাঁদের পক্ষে চলাফেরা করা মুশকিল হয়ে পড়ে। বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণ স্কোয়াডের রেঞ্জার শুভাশিস রায় বলেন, কয়েক মাস হল এই রেঞ্জের দায়িত্ব নিয়েছি। করোনা পরিস্থিতি কেটে গেলে এলাকার প্রধানকে লিখিত আকারে বিষয়টি জানাব। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী মানুষকেও এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে।